কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা একটি পিটিশন খারিজ করে দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।

লোকসভা নির্বাচনের মাঝামাঝি সময়ে সর্বোচ্চ আদালতের এ সিদ্ধান্ত রাহুলকে খানিকটা স্বস্তি এনে দেবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের একটি বেঞ্চ দিল্লির দুই বাসিন্দার করা ওই পিটিশনটি খারিজ করে দেয় বলে জানিয়েছে এনডিটিভি।

জয় ভগওয়ান গয়াল ও চন্দ্র প্রকাশ ত্যাগী তাদের আবেদনে কংগ্রেস সভাপতি ব্রিটিশ নাগরিক কি না, আমেথি ও ওয়াইয়ানাদ থেকে লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অনুমতি পাবেন কি না এবং তিনি সংসদের একটি আসন অলঙ্কৃত করার যোগ্য কি না, এসব বিষয়ে সরকারকে নির্দেশনা দিতে সর্বোচ্চ আদালতকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

পিটিশনে যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি কোম্পানির ২০০৫-০৬ সালের বাৎসরিক তথ্যসম্বলিত একটি নথিও জুড়ে দেন তারা। ওই নথিতে রাহুলকে ব্রিটিশ নাগরিক বলা হয়েছে, দাবি তাদের।

“যদি কোনো কোম্পানি, কোনো একটি ফরমে তাকে (রাহুল) ব্রিটিশ নাগরিক হিসেবে উল্লেখ করে, তাহলেই কি তিনি ব্রিটিশ নাগরিক হয়ে গেলেন,” পিটিশনটি খারিজ করে প্রশ্ন ছুড়ে দেন প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট বেঞ্চ।

কংগ্রেস সভাপতি ব্রিটিশ নাগরিক- বিজেপি সাংসদ সুব্রাহ্মনিয়ান স্বামীর এ অভিযোগের জবাব দিতে গত মাসেই রাহুলকে ১৫ দিন সময় বেঁধে দিয়েছিল ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

নিজের নাগরিকত্ব নিয়ে কংগ্রেসপ্রধান মিথ্যাচার করে আসছেন বলে সুব্রাহ্মনিয়ান কয়েক বছর ধরেই অভিযোগ করছেন। সরকার এ প্রসঙ্গে রাহুলকে ‘তথ্যভিত্তিক’ জবাব দিতে নোটিস দেয়।

ভারত দ্বৈত নাগরিকত্বের অনুমোদন দেয় না। দেশটির নির্বাচনে কেবলমাত্র ভারতীয়রাই অংশ নিতে পারেন।

২০১৫ সালেও রাহুল গান্ধীর নাগরিকত্ব সংক্রান্ত অন্য একটি পিটিশন খারিজ করে দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। সর্বোচ্চ আদালত সেসময় পিটিশনটিকে ‘যাচ্ছে তাই’ এবং এর মাধ্যমে ‘উদ্দেশ্যহীন একটি তদন্ত শুরুর চেষ্টা’ করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেছিল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য