রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলার পুর্ব ইছলী এলাকায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নারী অপহরণ করে ধর্ষণকারী ও শীর্ষ সন্ত্রাসী শহিদুল ইসলাম সুমন নিহত হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি ওয়ান সুটার গান ও ২২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, পার্শ্ববর্তী লালমনিরহাট জেলার কালিগজ্ঞ উপজেলার রুদ্রেশ্বর গ্রামের মহেশার আলীর ছেলে শহিদুল ইসলাম সুমনকে গঙ্গাচড়া থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।সোমবার রাতে পুলিশের একটি দল অস্ত্র উদ্ধার করার জন্য তার দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুয়ায়ী গঙ্গাচড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের চড় ইছলী এলাকায় যায়।

সেখানে আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা তার সহযোগীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি বর্ষন করে। এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি বর্ষন করে। এতে সন্ত্রাসী শহিদুল ইসলাম সুমন নিহত হয়। এ সময় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান জানান, সুমন একজন কুখ্যাত সন্ত্রাসী। সে নারী অপহরণ করে ধর্ষণ করে। অনেক সহায় সম্বলহীন নারীর সতীত্বহরণ করেছে। এ ছাড়া মাদক ব্যাবসা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য