যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় বোয়িংয়ের একটি যাত্রীবাহী বিমান অবতরণের পর রানওয়েতে পিছলে পাশের সেইন্ট জনস নদীতে পড়ে গেছে।

গুয়ানতানামো বে থেকে ১৩৬ যাত্রী ও ৭ ক্রু নিয়ে ওই উড়োজাহাজ ব্যাপক বজ্রঝড়ের মধ্যেই শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে নয়টার কিছু পরে জ্যাকসনভিলের কাছের ওই নৌ বিমানবন্দরে নামে।

অবতরণের পরপরই বোয়িংয়ের জেটটি রানওয়েতে পিছলে গিয়ে পাশের নদীতে পড়ে যায় বলে কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বোয়িং ৭৩৭ বিমানটির আরোহীরা সবাই ‘জীবিত ও অক্ষত’ আছেন বলে টুইটারে নিশ্চিত করেছেন জ্যাকসনভিলের মেয়র লেনি কারি।

“বিমানটি ডুবে যায়নি। এর সব আরোহী জীবিত ও অক্ষত,” বলেছে জ্যাকসনভিলের শেরিফের কার্যালয়ও। তাদের টুইটের সঙ্গে দেওয়া দুটি ছবিতে মিয়ামি এয়ার ইন্টারন্যাশনালের লোগো লাগানো বিমানটিকে অক্ষত অবস্থায় ভাসতেও দেখা গেছে।

বিমান থেকে সব যাত্রী ও ক্রুকে নিরাপদে নামানোর কয়েক ঘণ্টা পর শেরিফের কার্যালয় জানায়, সামান্য আহত ২১ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিতে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল; তারা সবাই ‘ভালো আছেন’।

এ ঘটনায় বোয়িংয়ের বেশ কয়েকটি ৭৩৭-৮০০ মডেলের বিমান চালানো মিয়ামি এয়ার ইন্টারন্যাশনালের তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বোয়িংয়ের এক মুখপাত্র জ্যাকসনভিলের দুর্ঘটনার খবর শুনেছেন এবং এ বিষয়ে তথ্য জোগাড় করছেন বলে জানিয়েছেন।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একের পর এক দুর্ঘটনায় প্রায়ই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শিরোনাম হচ্ছে এ বিমান প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানটি।

ইন্দোনেশিয়া ও ইথিওপিয়ায় পাঁচ মাসের ব্যবধানে দুটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে সাড়ে তিনশর বেশি মানুষের মৃত্যুর পর তারা ৭৩৭ ম্যাক্স মডেলের বিমানের উৎপাদন কমিয়ে দেয়।

বিধ্বস্ত বিমান দুটির ‘এন্টি-স্টল’ সিস্টেমে ত্রুটি পাওয়ায় বিশ্বব্যাপীই এ মডেলের সব বিমানকে ‘গ্রাউন্ডেড’ করে রাখা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য