সংবাদ সম্মেলনঃ সন্তান হত্যার প্রচেষ্টাকারী সন্ত্রাসীরা এখন মামলা না তুলে না নিলে পরিবারের সবাইকে হত্যা করবে বলে হুমকী দিচ্ছে। সারাদেশের বিভিন্ন ঘটনা দেখে ও সন্ত্রাসীদের হুমকীতে আমরা এখন আতংকিত এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি,না জানি কখন কি হয়ে যায় !

গতকাল সকালে দিনাজপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপরে উল্লেখিত কথাগুলো বলেছেন সন্ত্রাসীদের নির্দয় ভাবে কপানো হামলায় আহত রুবেলের পিতা মো: নুরুল ইসলাম নুরু। তিনি বলেন,পূর্বশত্রুতার জেরে গত ২১ এপ্রিল রাত সোয়া ১২টায় স্থানীয় রামনগর,জামাইপাড়া ও গোলাপবাগের চিহিৃত সন্ত্রাসী মো: তোফাজ্জল হোসেন হীরা,মো:সুজন,মো: রুবেল ও মো: সুমন ও মো: সোহেলসহ াারো ১৫-২০জন াামার পুত্র মো: রুবেল ইসলামকে তুলে নিয়ে গিয়ে লোহার রড,সামুরাই,চাপাতিসহ বিভিন্ন ধারালো অস্ত্র দ্বারা কুপিয়ে মারাত্বক আহত করে মৃত ভেবে বাঙ্গীবেচা ব্রীজের সামনে ধান ক্ষেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে আমরা তাকে উদ্ধার করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহীম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিতসার জন্যে ভর্তি করা হয়।

তিনি জানান,এব্যাপারে গত ২৫ এপ্রিল দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় ১৩ জনের নাম উল্লেখসহ আরো কয়েকজনের নামে মামলা করা হলেও পুলিশ কাউকেই গ্রেফতার করছেনা। ইতিমধ্যে ২৭ এপ্রিল এজাহারনামীয় আসামী রামনগরের জামালের পুত্র মো: রতনকে পুলিশ আটক করলেও সরকার দলীয় প্রভাবশালী নেতার তদবিরে ওইদিনই ছেড়ে দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত পিতাপুত্ররা আরো জানান মামলার প্রধান আসামী মো: তোফাজ্জল হোসেনের স্ত্রী শ্রাবনী বেগম মোবাইল ফোনে প্রতিনিয়ত মামলা তুলে নিতে হুমকী দিচ্ছে এবং বলছে আমরা মা আওয়ামীলীগের নেত্রী এবং জেলা পরিষদের সদস্য। এমামলায় তোরা আমাদের কিছুই করতে পারবি না জীবন বাচাাঁতে চাইলে মামলা প্রত্যাহার করে নইলে বুছতে পারবি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আহত রুবেল বলেন,আমাকে ওরা মেরেই ফেলেছিলো কিন্তু আল্লাহ বাচিঁয়েছেন, আমি আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং কঠোর শাস্তির দাবী করছি। ওদের শাস্তি না হলে ওরা আমাকে মেরে ফেলবে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জুলকার নাইক সাগর।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য