আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট প্রতিনিধি: লালমনিরহাটের হাতীবান্ধার তিস্তা ও আদিতমারীর ধরলা নদী বালুচরে চাষিদের মাঝে তরমুজ চাষের আগ্রহ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নায্য মূল্য না পাওয়ায় ধান চাষে ক্রমাগত লোকসান গুনতে হচ্ছে কৃষকদেরকে।

অপরদিকে অল্প খরচে বেশী ফলনে তরমুজ চাষে অধিক লাভবান হওয়ায়। কৃষকদের মাঝে এ আগ্রহ প্রতিবছর বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানা গেছে।

চরাঞ্চলে তরমুজ চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের I+জানা গেছে, বালুচরে সারিবদ্ধ ভাবে গর্ত করে জৈব সার দিয়ে তরমুজের বীজ রোপণ করে চাষিরা। এরপর নিয়মিত সেচ দেয়। চারা বড় হলে তা বালুর উপরে বাড়তে থাকে।

৪-৫ মাসের মধ্যেই ফলন ধরে গাছে। এখানকার এক একটি তরমুজ ওজনে ৭-১০ কেজি পর্যন্ত হয়। প্রতি পিস তরমুজ ৬০-৮০ টাকা হারে গত বছর বিক্রি হয়েছে। এবার আরও বেশি দামে তরমুজ বিক্রি হবে বলে আশা করছে চাষিরা।

কুঠিবাড়ি গ্রামের চাষি তৈয়ব আলী জানান, তিনি চলতি মৌসুমে ৪০ হাজার টাকা খরচ করে ৩ হাজার তরমুজ গাছের চারা লাগিয়েছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে দেড় লাখ টাকা আয় করার আশা করছেন তিনি।

চরাঞ্চলে তরমুজ চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের   I+লালমনিরহাটের দুর্গাপুরের তরমুজ চাষি তৈয়ব আলী জানান, ইতোমধ্যে গাছে ফলন ধরেছে। কিছুদিন পরেই শুরু হবে বেচা-কেনা।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বিদু ভূষণ রায় জানান,তরমুজ চাষিদের খোঁজ-খবর নেওয়া হচ্ছে। চাষিদের কোন রকমের সমস্যার কথা শুনলেই অফিসের লোকজন মাঠে ছুটে গিয়ে পরামর্শ দিয়ে থাকেন। আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে আশা করি চাষিরা এবার তরমুজের বাম্পার ফলন পাবেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য