তিন সপ্তাহের আন্দোলনের মধ্যেই সুদানে সামরিক বাহিনী ও বিরোধী দলগুলোর সমন্বয়ে একটি সিভিল-মিলিটারি কাউন্সিল গঠনের বিষয়ে একমত হয়েছে উভয়পক্ষ। দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনার প্রাথমিক সাফল্য হিসেবে ধরা হচ্ছে এটিকে। তবে যৌথ কাউন্সিলে সেনাবাহিনীর কতজন এবং বেসামরিক কতজন প্রতিনিধিত্ব করবেন সে ব্যাপারে এখনো মতপার্থক্য রয়ে গেছে। খবর আল-জাজিরার।

গণ আন্দোলনের মুখে গত ১১ এপ্রিল দেশটির তিন দশকের শাসক ওমর আল বশিরকে সরিয়ে দেয়ার ঘোষণা দেয় সেনাবাহিনী। সেই থেকে দেশটিতে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সেনা কাউন্সিল শাসন ব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ করছে। তারাই দেশটিতে নির্বাচন আয়োজন করতে চাইছে। তবে আন্দোলনকারীরা একটি বেসামরিক অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের দাবিতে অনড় রয়েছে। এই অবস্থায় দু’পক্ষের মধ্যে একবার আলোচনাও ভেস্তে যায়। শেষ পর্যন্ত শনিবার আন্দোলনরতদের সঙ্গে আলোচনায় একটি সিভিল-মিলিটারি যৌথ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনে একমত হন তারা।

আরও পড়ুন : আগামী তিনদিন সারাদেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই

বিশ্লেষকরা বলছেন, দুই পক্ষের মধ্যে এই চুক্তি অবশ্যই একটা অগ্রগতি। তবে এটাকে প্রাথমিক পদক্ষেপ বলতে হবে। কারণ এখনো কাউন্সিলের রূপরেখা নিয়ে যথেষ্ট মতপার্থক্য রয়েছে। সামরিক বাহিনী চাইছে ১০ সদস্যের একটি কাউন্সিল, যেখানে তিনজন বেসামরিক ও সাতজন সামরিক বাহিনীর সদস্য থাকবে। অপরদিকে বিরোধীরা ১৫ সদস্যের কাউন্সিলে সংখ্যাগরিষ্ঠ আটজন বেসামরিক ও সাতজন সামরিক বাহিনীর প্রতিনিধি চাইছেন।

তবে দুই পক্ষের মধ্যে চুক্তির পরও দেশটিতে আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। মূলত সেনাবাহিনীর উপর চাপ অব্যাহত রাখতেই বিরোধী পক্ষ এখনই আন্দোলন থেকে সরতে চাইছে না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য