দিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর সদর উপজেলার কাউগাঁ নানিয়াটিকর গ্রামে উৎকলিকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল চত্বরে শশীমোহন ব্যানার্জী স্মৃতি গ্রন্থাগার ও সৌদামিনী ব্যনার্জী স্মৃতি গ্রন্থাগার আয়োজিত ২৭ এপ্রিল শনিবার রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী, দ্বিজেন্দ্র নাথ ব্যানার্জীর একক চিত্র প্রদর্শনী ও গুণিজন সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

শশি মোহন ব্যানার্জী স্মৃতি গ্রন্থাগারের সভাপতি শ্রীযুক্ত সত্যেন্দ্র নাথ ব্যানার্জী’র সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট নাট্যকার, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা, বিশিষ্ট লেখক দ্বিজেন্দ্র নাথ ব্যানার্জী। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক উত্তরবাংলার সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মতিউর রহমান।

প্রধান আলোচ্যক হিসেবে আলোচনা করেন ভারতের কলকাতা থেকে আগত বিশিষ্ট নাট্যকার, লেখক, রবীন্দ্র গবেষক মলয় চন্দন মূখোপাধ্যায়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নওগাঁ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যক্ষ ড. মুহাঃ মোস্তাফিজুর রহমান, আমেনা বাকী রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপ্যাল মোঃ মিজানুর রহমান, বিশিষ্ট লেখিকা ও উত্তরবাংলা’র নির্বাহী সম্পাদক জিনাত রহমান, প্রধান শিক্ষক সুশান্ত কুমার রায়।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ইউপি সদস্য কমলেশ রায়, নবদ্বীপ দে। প্রথম পর্বে সভাপতিত্বে করেন সাবেক তহশিলদার সতিশ চন্দ্র রায়। আয়োজকরা সভায় গুণিজনদের ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন।

বক্তারা বলেন, রবীন্দ্র নাথ শান্তি নিকেতনকে সাহিত্য চর্চার সুতিকাগার হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের যে ব্যাপক ব্যপ্তি রয়েছে তা আমাদের প্রজন্মদের জানাতে হবে।

রবীন্দ্র সাহিত্য চর্চায় কোন সাম্প্রদায়িকতা ছিল না । তিনি ছিলেন অসাম্প্রদায়ীক একজন কবি। সারা বিশ্বে রবীন্দ্র নাথ ঠাকুররের সাহিত্য চর্চার পাশাপাশি আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এর সাহিত্য কর্ম বাংলা সাহিত্যে চিরদিন স্মরণিয় হয়ে থাকবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য