অফিসের কাজ নিয়ে কি আপনার স্বামী সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকেন? ওঁর অফিসের কাজে বা মিটিংয়ের চাপে প্রায়ই ভেস্তে যায় আপনাদের নানা পরিকল্পনা? এমনটা যদি বারবার হয়, তা হলে আপনার স্বামীকে কাজপাগল বলা যেতে পারে। ইংরেজিতে এর একটা পরিভাষা রয়েছে, ওয়ার্কঅ্যাহলিজ়ম’।

বিশেষ করে সোশাল মিডিয়া এসে যাওয়ার ফলে অধিকাংশ মানুষ সারাক্ষণই অনলাইন থাকেন এবং তার ফলে কাজের সময় আর ব্যক্তিগত সময়ের সীমানাটা মাঝেমধ্যেই গুলিয়ে যায়, কাজ আর ডেডলাইনের চাপে পরিবারের দিকে নজর দেওয়ার সময় একেবারেই থাকে না আর তার প্রত্যক্ষ ক্ষতিকর প্রভাবটা পড়ে সংসার বা সম্পর্কের উপর।

আপনার স্বামীও যদি সারাক্ষণ নিজের পেশাজীবন নিয়েই ব্যস্ত থাকেন, তা হলে কীভাবে পরিস্থিতিটা সামাল দেবেন আপনি? নিজেই জেনে নিন!

স্বামীর কাজের ধরনটা বুঝুন
একটা কথা আপনাকে বুঝতে হবে, সাধ করে কেউ কাজপাগল হয় না। ওঁর উপর হয়তো সত্যিই প্রচণ্ড কাজের চাপ রয়েছে! ওঁর কাজের ধরন সম্পর্কে আপনার যদি স্পষ্ট ধারণা থাকে, তা হলে ওঁর পাহাড়়প্রমাণ কাজের চাপ থাকলেও কীভাবে সম্পর্কটা বাঁচাতে হবে, তার একটা উপায়ও আপনি খুঁজে বের করতে পারবেন।

মাথা গরম করবেন না
কোনও পরিস্থিতিতেই মেজাজ হারাবেন না। ওঁকে দোষারোপ করাও বন্ধ করুন। তাতে পরিস্থিতি উত্তরোত্তর খারাপ হবে, যেটুকু সময় আপনারা একসঙ্গে কাটাতে পারতেন সেটাও হবে না।

সময়ের হিসেব রাখুন
ওঁর কাজের চাপ থাকবে, সেটা আপনাকে মেনে নিতেই হবে। কাজের চাপ সামলে কীভাবে দু’জনের জন্য খানিকটা কোয়ালিটি সময় বের করে নেওয়া যায়, সেটা দেখুন। স্বামীকে বলুন, কোনও পরিস্থিতিতেই নিজেদের জন্য এই সময়টুকু আপনারা অন্য কাজে নষ্ট করবেন না!

সাহায্য চান
অতিরিক্ত কাজের চাপের সঙ্গে মানসিক বিপর্যয়ের একটা ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ফলে যদি মনে হয় আপনার স্বামী কাজের চাপে নুয়ে পড়ছেন, তা হলে ওঁর সঙ্গে কথা বলুন। প্রয়োজনে দু’জনে মিলে মনস্তত্ত্ববিদের পরামর্শ নিন।
-ফেমিনা

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য