আজিজুল ইসলাম বারী, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার সিন্দুর্না ইউনিয়নের চমরের চৌপুতি এলাকায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে আগামী বর্ষায় ওই এলাকায় পাইলিং বাঁধসহ নদী ভাঙ্গণ বেড়ে যেতে পারে।

বালু উত্তোলনের ফলে ওই এলাকায় তিস্তা নদীতে একটি শাখা নদী বের হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। এতে সিন্দর্না ইউনিয়নের ৪, ৫, ৬ ও ৭নং ওয়ার্ড ক্ষতিগ্রস্থ হবে। সিন্দুর্না ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুরুল আমিনের অভিযোগ, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে অভিযোগ করা হলেও কোন প্রতিকার হয়নি।

ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, একটি প্রভাবশালী মহল সিন্ডিকেট তৈরী করে তিস্তা নদী থেকে ট্রাকযোগে বালু উত্তোলন করে জমজমাট ব্যবসা করে আসছে। প্রায় ১ মাস ধরে ৬টি ট্রাক এ বালু উত্তোলনের জমজমাট ব্যবসা করছে। প্রতি বালু ট্রাকের জন্য সিন্ডিকেটকে ১ শত ৫০ টাকা দিতে হচ্ছে। ওই টাকার ভাগ চলে যাচ্ছে রাতারাতি বিভিন্ন জনের কাছে।

ওই এলাকার মিজানুর রহমান, আল আমিন ও জীবন আলী অভিযোগ করেন, তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে নদী ভাঙ্গণ রোধে পাইলিংগুলো হুমকির মুখে। পাশাপাশি আগামী বর্ষায় আমরা সিন্দুর্না ইউনিয়নবাসী ক্ষতির সম্মুখীন হবো। বিষয়টি আমরা স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানকে অভিযোগও করেছি।

সিন্দুর্না ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুরুল আমিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সিন্ডিকেট করে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বালু উত্তোলনের ফলে পাইলিং বাঁধ নষ্ট হয়ে যাবে। বিষয়টি স্থানীয় প্রসাশনকে জানানো হলেও কোনো প্রতিকার হয়নি।

হাতীবান্ধা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমিন বলেন, নদী থেকে বালু উত্তোলন অবৈধ। যদি কেউ বালু উত্তোলন করে থাকেন তাহলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য