হেফাজতে ইসলামের আমির ও আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশের সভাপতি আল্লামা শাহ্ আহমদ শফী বলেছেন, কাদিয়ানীরা মুসলমান নয়। তারা অমুসলমান। এটা মনে রাখবেন। কাদিয়ানীদেরকে যারা অমুসলমান মনে করবে না তারাও অমুসলমান। বহু শিক্ষিত সমাজ এদেরকে মুসলমান মনে করে। তারা বলে এরাও তো নামাজ কালাম পড়ে। তাহলে তারা মুসলমান নয় কেন? তারা এজন্য কাফের।

কারণ তারা আমাদের নবীকে শেষ নবী মানে না। সেজন্য তারা কাফের। যারা এদেরকে কাফের বলবে না তারাও কাফের। পাকিস্তান,সৌদিআরব সহ অন্য রাষ্ট্রে কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণা করা হইয়াছে। আমরাও হাসিনা সরকারকে বলার চেষ্টা করব কাদিয়ানীদেরকে অমুসলিম ঘোষণা করার জন্য। তিনি মঙ্গলবার (১৬ এপ্রিল) দুপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম স্টেডিয়ামে সম্মিলিত খতমে নবুয়ত সংরক্ষণ পরিষদ পঞ্চগড় উদ্যোগে খতমে নবুওয়ত সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, এদেরকে মুসলমানদের কবরস্থানে দাফন করা যাবে না। এদের টাকা পয়সার দিকে লক্ষ্য কইরা এদের মেয়েকে বিয়ে করতে পারবেন না। তাদের ছেলেদেরকেও মেয়ে দেয়া যাবে না। যে ভাইয়েরা টাকা পয়সা পাইয়া কাদিয়ানী হইয়া গেছে তাদের আবার ইসলাম ধর্মের মধ্যে ফিরাইয়া আনেন। তাদেরকে কিছু টাকা পয়সা দিয়ে দোজখের ভয় দেখাইলে সহসাই তারা ইসলামের পথে ফিরে আসবে। তাদের মুসলমান বানাইবার চেষ্টা করেন।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার সাদাতের সভাপতিত্বে সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, খতমে নবুয়ত মারকাযের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মাও. মুফতি শুয়াইব ইব্রাহিম, ইন্টারন্যাশনাল খতমে নবুয়ত মুভমেন্ট বাংলাদেশ’র আমীর মাহমুদুল হাসান মমতাজী, জামিয়া ইসলামিয়ার অধ্যক্ষ মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, খতমে নবুয়ত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ’র সভাপতি আল্লামা আব্দুল হামিদ, ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব ড. আ.স.ম শোয়াইব আহাম্মদ, আন্তর্জাতিক মজলিসে তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত বাংলাদেশ’র সেক্রেটারী জেনারেল ও জামিয়া ইসলামিয়া মাখজানুল উলুম মাদরাসার অধ্যক্ষ আল্লামা নুরুল ইসলামসহ কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। খতমে নবুওয়ত সম্মেলনে প্রায় লক্ষাধিক মুসল্লির সমাগম ঘটে। সম্মেলনে শেষে মোনাজাত করা হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য