সম্পর্ক কি বড্ড বেশি একঘেয়ে হয়ে গেছে? সঙ্গীর শরীরের বিশেষ অংশে লুকিয়ে থাকা বিন্দুকে জাগিয়ে তুলুন প্রেমের স্পর্শে।

চোখের তারায় সর্বনাশ
ঘরের অন্য দিক থেকে তাকিয়ে থাকুন ওঁর দিকে। মোহিনী চাহনি ওঁকে জানিয়ে দেবে আপনার মনের কথা। অবশ্যই হাই হিল পরুন। সুডোল, ছিপছিপে পা দেখলে যে কোনও পুরুষের হুঁশ উড়ে যেতে বাধ্য, তা তিনি যত মুনি-ঋষি টাইপ হোন না কেন!

গন্ধবিচার
শ্যানেল নং ফাইভ বা ওই ধরনের নামীদামি পারফিউম লাগানোর দরকার নেই। পুরুষেরা ও সব খেয়ালই করেন না। বরং কীসে ওঁরা আকৃষ্ট হন, জানেন? কুমড়োর মিঠাইয়ের ঝাঁঝালো, মিষ্টি গন্ধে! শিকাগোর স্মেল অ্যান্ড টেস্ট ট্রিটমেন্ট অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টারের পক্ষ থেকে ডক্টর অ্যালান হার্শ বলছেন, ‘‘দামি পারফিউম ছাড়ুন। পরিবর্তে বাড়িতে নিয়ে আসুন পাম্পকিন পাই।’’ আর এর সঙ্গে খানিকটা ল্যাভেন্ডারের গন্ধ মেশাতে পারলে তো সোনায় সোহাগা! ভ্যানিলা বা স্ট্রবেরির গন্ধও এ ব্যাপারে কার্যকর।

হাতে হাত
সম্পর্কের উষ্ণতা বাড়িয়ে তুলতে জুড়ি নেই স্পর্শের। ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনে 2013 সালের একটি গবেষণা বলছে, প্রবল মানসিক চাপের মুহূর্তে সঙ্গীর হাত ধরা উচিত। মস্তিষ্কের যে অঞ্চল উত্তেজনার মুহূর্তে অতি সক্রিয় হয়ে ওঠে, স্ত্রী বা বান্ধবীর স্নিগ্ধ স্পর্শ পেলে তা সহজেই শান্ত হয় এবং শরীরও চাপের মোকাবিলা করে।

কানে কানে
শরীরী ভালবাসার সময় কান প্রায় সবসময়ই উপেক্ষিত। অথচ সঙ্গীর উত্তেজনার পারদ বাড়িয়ে তুলতে, এমনকী শারীরিক আরাম দিতেও জুড়ি নেই কানের। নিজের বুড়ো আঙুল আর তর্জনী চেপে ধরুন সঙ্গীর কানের ঠিক নীচে। একটু চাপ দিয়ে ঘষে নীচের দিকে নামিয়ে নিন আঙুল। আবার নতুন করে শুরু করুন। দেখতে পাবেন, কী হয়!

অধরের পিপাসা
ঠোঁট পুরুষের অন্যতম ‘টার্ন অন জোন’। কিন্তু মাঝেমধ্যে ঠোঁটের আশপাশে বিচরণ করে দেখলেও মন্দ হয় না! আপনার সঙ্গীর নীচের ঠোঁটের বাইরের দিকে আর চিবুকের মাঝখানের ঢালু অংশ স্পর্শ করে দেখেছেন কখনও? ছোট্ট ওই অংশে রয়েছে একগুচ্ছ সংবেদনশীল স্নায়ু।

হাঁটুতেই বিশ্বজয়
হাঁটুর পিছনের নরম মসৃণ অংশে আদর পেতে ভালবাসেন প্রায় সব পুরুষ। ‘‘শরীরের যে সব অংশে রোম কম, সে সব জায়গা একটু বেশিই সংবেদনশীল হয়। এ সব অংশে স্পর্শ পেলে পুরুষেরা সহজেই উত্তেজিত হন,’’ বলছেন নিউ ইয়র্কের সেক্স কোচ অ্যামি লেভিন। তাঁর পরামর্শ, ‘‘হালকা করে হাঁটুর পেছনে আঙুল ছুঁইয়ে ধীরে ধীরে গোল করে ঘোরাতে থাকুন।’’

পায়ের পাতায় আদর
গোড়ালির পিছন দিকে আর গোড়ালির হাড়ের মাঝামাঝি একটা ছোট্ট অংশ আছে, যাতে চাপ পড়লে শরীরী সংরাগ অনেক বেশি জোরদার হয়ে ওঠে। নিজের বই ‘ফিট ফার্স্ট’-এ লরা নরম্যান বলছেন ‘‘শরীরের এই অংশের সঙ্গে পুরুষাঙ্গের সরাসরি যোগ থাকে। কাজেই এখানে চাপ পড়লে শরীরে সুখের অনুভূতি হয়।’’
-ফেমিনা

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য