নীলফামারীর ঐতিহ্যবাহী নীলসাগর পুকুরে সাঁতার কাটতে নেমে ডুবে যাওয়ার ৪ দিন পর স্কুলছাত্র সুমন চন্দ্র রায়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

৭ এপ্রিল সকালে দীঘির জলে মরদেহ ভেসে উঠলে নীলসাগরের কেয়ার টেকার প্রথমে দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে স্থানীয় মানুষের সহযোগীতায় পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

নীলফামারী সদর থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ মোমিনুল ইসলাম ওই স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য যে, গত ৩ এপ্রিল সকালে নীলফামারী জেলা সদরে নীলসাগর দিঘিতে সনাতন হিন্দু ধর্মের পূণ্য স্নানোৎসবে (বারুনীস্নান) নেমে এসএসসি পরীক্ষার্থী সুমন চন্দ্র রায় (১৬) নিখোঁজ হয়।

নিখোঁজ সুমন জেলার সদর উপজেলার খোকশাবাড়ী ইউনিয়নের মোনাগঞ্জ গ্রামের সুকুমার চন্দ্র রায়ের ছেলে এবং সদ্যসমাপ্ত এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থী। স্থানীয় সূত্র জানায়, হিন্দু সম্প্রদায়ের বারুণী উৎসব উপলক্ষে নীলসাগর পুকুরে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী বারুণী স্নান।

হিন্দু সম্প্রদায়ের এ বারুণী স্নান ছিল শুক্রবার পর্যন্ত। সেই স্নানে অংশ নিতে সুমন ছাড়াও একই গ্রামের বিপুল চন্দ্র রায় (১৬), অনুকূল চন্দ্র রায় (১৭) ও উত্তম কুমার চন্দ্র (১৬) মিলে পুকুরে সাঁতার কাটতে নামে। একপর্যায়ে চার বন্ধু মিলে পশ্চিম পার থেকে পূর্ব পারে সাঁতরে পার হতে শুরু করে।

কিন্তু বিশাল পুকুর সাঁতরে পার হওয়ার আগেই পুকুরের মাঝামাঝি গিয়ে তলিয়ে যায় সুমন। অপর ৩ জন কোনো রকমে পারে উঠতে পারলেও সুমন পারে উঠতে ব্যর্থ হয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য