রংপুর জেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে পীরগঞ্জে আলোক ফাঁদ বাস্তবায়ন কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে। জানা গেছে, একটি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়নের ৪৬টি ব্লকে একযোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

সন্ধ্যায় ধানের জমি থেকে ১০ ফুট দুরে বৈদ্যুতিক বাল্ব বা হ্যাচাক লাইট জ¦ালিয়ে রাখা হয়। ফসলের মাঠে পোকাসমূহ আলোর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে ঝাঁকে ঝাঁকে চলে আসে।

বাল্ব বা হ্যাচাকের নিচে একটি পানির পাত্র রেখে যাতে সাবানের গুড়া/কেরোসিন তৈল মিশ্রিত করে রেখে দেওয়া হয়। ধানের জমি থেকে মাজরা, পাতা মোড়ানো, ফড়িংসহ বেশকিছু ক্ষতিকর/উপকারী পোকার উপস্থিতি ঘটে উল্লিখিত আলোক ফাঁদে।

পোকার উপস্থিতি সনাক্ত করে ফসল হতে তা দমন ব্যবস্থা গ্রহনের উদ্যোগে এই আলোক ফাঁদ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়। স্থানীয় কৃষকদের সাথে নিয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ এ পদক্ষেপ গ্রহন করেন। রামনাথপুর ইউনিয়নের খেজমতপুর ব্লক, পৌরসভা রায়পুরের বাহাদুরপুর, বড় আলমপুরের হোসেনপুরসহ ৪৬টি ব্লকে একযোগে এ আলোক ফাঁদ বাস্তাবায়ন উৎসব পালিত হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ছাদেকুজ্জামান সরকার, কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা, নাসিরুল আলম, ব্লক সুপারভাইজার আনোয়ারুল ইসলাম, ফজলুল হক মন্ডল, রফিকুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, সামছুজ্জামান, সেলিনা খাতুন প্রমুখ।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তিনি বলেন, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার ৪৬টি ব্লকে একযোগে আলোক ফাঁদ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আলোক ফাঁদ কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে বলেন, ধান ফসলের পোকার উপস্থিতি, সনাক্তকরণ ও দমনে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মাঠ পর্যায়ের কৃষকদের সমন্বয়ে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

এ কার্যক্রমে কৃষকদের সম্পৃক্ততা করা গেলে চলতি বোরো মৌসুমে ধান ক্ষেতে পোকার উপস্থিতি নির্ণয় ও দমনে কার্যকরী ব্যবস্থায় সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য