ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন ব্রেক্সিট সমর্থক পার্লামেন্ট সদস্য অ্যান্ড্রু ব্রিজেন। তিনি বলেন, তার আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করা উচিত যে আমাদের দেশের জন্য মঙ্গল কি? ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটের রায় অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৯ মার্চ রাত ১১টায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যপদ ত্যাগের কথা ছিল যুক্তরাজ্যের। ব্রেক্সিট পরবর্তীকালে ইইউয়ের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্কের শর্ত নির্দিষ্ট করে তৈরি হয় ব্রেক্সিট চুক্তি। কিন্তু যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে তিন দফায় তা হাউস অব কমন্সে পাস করাতে ব্যর্থ হন।

তৃতীয় দফায় চুক্তিটি পার্লামেন্টে তোলার আগে ইইউ নেতাদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের তারিখ পরিবর্তন করাতে সমর্থ হন থেরেসা মে। সম্পতি ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা ব্রেক্সিটের দিনক্ষণ পরিবর্তনে যে সমঝোতায় উপনিত হয়েছিলেন তাতে চুক্তি পাস হলে আগামী ২২ মে আর চুক্তি পাস না হলে আগামী ১২ এপ্রিল ব্রেক্সিট কার্যকরের কথা বলা হয়েছে।

বুধবার স্কাইনিউজকে দেওয়া সাক্ষাতকারে ব্রিজেন বলেন, থেরেসা মে’র বোঝা উচিত আমাদের দেশ ও গণতন্ত্র ও কনজারভেটিভ পার্টির জন্য কি প্রয়োজন। সেটা উপলব্ধি করেই তার পদত্যাগ করা উচিত।’

মঙ্গলবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, বিরোধী দলীয় নেতা জেরেমি করবিনের সঙ্গে নতুন একটি পরিকল্পনা নিয়ে সম্মত হতে চান তিনি। আর আগামী ১০ এপ্রিলের আগেই তিনি ওই পরিকল্পনা নিয়ে পার্লামেন্টে ভোটাভুটি করতে চান। আগামী ১০ এপ্রিল ব্রেক্সিট নিয়ে জরুরি সম্মেলনে বসছে ইইউ।

করবিনের সঙ্গে নতুন কোনও পরিকল্পনায় সমঝোতায় ব্যর্থ হলে আইনপ্রণেতাদের সামনে আরও কয়েকটি বিকল্প রাখবেন তিনি। থেরেসা আশা করছেন এর কোনও একটিতে সম্মত হবে পার্লামেন্ট।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য