দ্য হ্যাপি নিউজ নামের একটি সুখি পত্রিকার খবর নিয়ে গতকাল বিবিসি’র খবরে খবরটা ছাপা হয়েছে। সেখানে যুদ্ধ, সহিংসতা, দুর্ঘটনার খবর প্রকাশ হয় না। সকলে মস্তিস্ক এধরনের খবর নিতে পারে না। সেই পত্রিকার ফাইন্ডারের মাথায় চিন্তা আসে নতুন একটি পত্রিকা চালু করার যেখানে কোনো দুঃখজনক ঘটনার খবর থাকবে না, থাকবে শুধু ভাল ভাল এবং ইতিবাচক খবর। পত্রিকাটি প্রকাশিত হয় যুক্তরাজ্য থেকে, যেখানে কলম স্বাধীন, যার যা ইচ্ছা লিখতে পারে, যে কোন ঘটনা নিয়ে, যে কোন বিষয় নিয়ে, যে কোন ব্যক্তি নিয়ে। সেখানে সামরিক বাহিনি, পুলিশ বাহিনি, কিংবা বড় বড় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সকলে কলমকে সম্মান করে। যেখানে দোষ পেলে কলম খুলে লিখা হয়, পুলিশের আগে তদন্ত করে সংবাদকর্মী। যেখানে কলম মুক্ত এবং স্বাধীন সেখানে দ্য হ্যাপি নিউজ নামের পত্রিকা চালু করছেন সেই সম্পাদিকা একেবারে নিজের ইচ্ছায়।

সত্যি বলছি আমারও ইচ্ছা করে সেরকম কিছু একটা করার। কিন্তু চোখ এড়িয়ে যতে পারি না, দেশের সার পানি ও বীজের অস্বাভাবিক দাম, মাঠে কাজ করা দিন মজুরির উচ্চমুল্য, গৃহস্থের ফসলে লোকশান, মন্দা ব্যবসায় আয়কর জটিলতা, ঋণগ্রস্থ মিল কল কারখানা, দ্রব্য মুল্য, স্কুল গুলোতে শিক্ষক সমস্যা, সবচেয়ে বড় সমস্যা দিনাজপুরের যাতায়াত সমস্যা। আমাদের দিনাজপুর শহরটা প্রাচীন এবং ছোট শহর। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের অনুগ্রহ আর প্রতিশ্রুতি নিয়ে চলছে। শহরের একটাই মূল রাস্তা, তার শাখা প্রশাখার সংখ্যাও বেশি না। কিন্তু গত পনেরো বিশ বছরে শুধু প্রতিশ্রুতি নিয়ে চলছি আমরা, সেই ভাঙ্গাচুরা রাস্তা দিয়ে। শহরের উপশহর থেকে শুরু করি, উপশহরের আবাসিক এলাকার রাস্তাগুলো প্রায় মাটির সাথে মিশে গেছে এবং খানাখন্দে ভরপুর। খোদ জেলা প্রশাসকের বাসার আশেপাশে রাস্তার অবস্থা এত খারাপ যে পথচারিদের চলাচল করতে ভীষণ কষ্ট হয়। দিনাজপুরে অবস্থিত উত্তরের একমাত্র সর্ববৃহৎ অরবিন্দ শিশু হাসপাতাল আমাদের গর্ব। সেই হাসপাতাল নির্বিঘ্নে যাবার উপায় নেই। আদর্শ কলেজ থেকে কালিতলা যাবার চিন্তা করলে এখন কিছু রাস্তা আর কল্পনায় আসে না। পিটিআই এলাকা আজীবন জলাবদ্ধ।

নামমাত্র পিচ ঢেলে গর্ত বন্ধ করার লোক দেখানো যেটুকু সংস্কার হয়েছে সেটুকু বাদে বাকিটা উঠে চলে গেছে। কখনও শোনা যায় রাস্তা সংস্কারের ফ্যান্ড আসে না, আবার কখনও বলে ফ্যান্ড ব্যবহার না হওয়ায় ফেরত চলে গেছে। এতো শুধু শহরের কথা বললাম আমাদের আরও ১২টি উপজেলা শহর এবং ইউনিয়ন গুলোর রাস্তাঘাট সংস্কারের স্বপ্ন নিয়ে মানুষ ঘুমায়, ঘুম থেকে উঠে আবার সেই জরাজীর্ণ রাস্তায় চলাচল করে ক্লান্ত হয়ে আবার স্বপ্ন নিয়ে ঘুমায়। আমরা সাধারন মানুষ এত কিছু বুঝি না। শহরে পৌর কতৃপক্ষ যখন হোল্ডিংট্যাক্স নিতে বাড়ীর দরজায় কড়া নাড়ে তখন অভিযোগ করলে তারা অফিস দেখিয়ে দেয়। অফিসে দেখায় মেয়রকে আর মেয়র ভাই মাফ চায়। অথচ ট্যাক্স কমে না।

আমাদের দিনাজপুর শহরের নালা-নর্দমার এত খারাপ অবস্থা যে ব্যবহারের পানি ড্রেনে কম রাস্তায় বেশি যায়। অধিকাংশ রাস্তার তো অস্তিত্ব নেই, তাই পানি গেলে কি আর না গেলে কি। রাস্তার একপাশে ডেন অন্য পাশে নাই, সেই পাশের মানুষ রাস্তা কেটে নালা করে ড্রেন পর্যন্ত পানি নিয়ে আসে, রাস্তা নষ্ট হয়। না করেই বা করবে কি, তাদের ব্যবহারের পানি যাবে কোথায়। কোন সুয়ারেজ সিস্টেম নেই, নেই কোন স্থায়ী ব্যবস্থা। অথচ আমার হোল্ডিংট্যাক্স দিচ্ছি বড়বড় শহরের সমান। মাঝেমধ্যে নর্দমা পরিস্কার হয়, কিন্তু সে ময়লা অপসরণ হয় না। ধীরে ধীরে সেগুলো আবার ড্রেনে গিয়ে জমা হয়। আমরা এখনও চলছি শুধু প্রতিশ্রুতি নিয়ে। হয়তো হবে কোন এ সময়ে।

অভিযোগ হচ্ছে অভিযোগ করছি কিন্তু কতৃপক্ষ যেন কানে কংক্রিট লাগিয়ে বসে গেছে। একটা কথা ঠিক যারা বড় বড় গাড়ীতে চড়ে বেড়ায় তাদের কাছে ভাঙ্গা রাস্তা কি আর গর্তজলা কি। সমস্যা তো আমাদের যারা সেরকম গাড়ীতে চড়ার শুধু স্বপ্নই দেখতে পারি বাস্তবে না। বোকারা বোকাদের কথা শোনে, শিক্ষিতরা শিক্ষিতদের, গাড়ীওয়ালা গাড়ীওয়ালাদের কথা শোনে। আমাদের যেহেতু গাড়ী নেই তাই আমাদের চলাচলে সমস্যার কথা হয়তো সে পর্যন্ত পৌছায় না। আমাদের ছোট্ট দিনাজপুর শহরে যে পরিমান ইজিবাইক চালু হয়েছে তা সারা বাংলাদেশে নজিরবিহীন অবস্থা। ইজিবাইকের অত্যাচারে শহরে বিশেষ প্রয়োজনে জরুরী চলাচলের কোন উপায় নেই। ইজিবাইক গুলোর ভাড়ার কোন সুনির্দিষ্ট নিতিমালা নেই, এদের দুর্ব্যবহারের অতিষ্ট শহরবাসি। তাদেরও আবার সমিতি আছে যা শ্রমিক হিসেবে মূল রাজনিতিতে অনেক প্রভাব রাখে। কার কাছে অভিযোগ করবে শহরবাসি।

সংবাদিক হিসেবে এসব কথা বলতে, মনে ভয় কাজ করে সারাক্ষণ, আর অনলাইন সাংবাদিকতার অবস্থা তো গাধার চেয়েও খারাপ ‘না ইস ঘাটকা না উস ঘাটকা’ আমাদের কেউ নেয় না। স্বগোত্রীয়রা তাদের দলে নেয় না, কারন অনলাইন সংবাদের কারনে তাদের প্রিন্ট পত্রিকার বিক্রী কমে গেছে। সরকারি নিতিমালা না থাকার কারনে প্রশাসন মহলে আমাদের কোন অবস্থান নেই। শুধু গাধার মত নিজ পকেটের টাকা খরচা করে খেটে যাওয়া, গোটা ব্যপারটা হচ্ছে বাড়ীর খেয়ে বনের মোষ চরানোর মত অবস্থা। অসংখ্য বিষয় যা দেখেও চোখ বন্ধ করে থাকতে হয় আমাদের।

কারন কখন কে কোন দিক দিয়ে ফাদে ফেলে, তথ্যপ্রযুক্তি আইনের বেড়াজালে আমাদের কলম প্রায় অচল। অনুসন্ধান মুলক সংবাদ করতে গিয়ে গুপ্তচরবৃত্তির ফাঁদে পড়ার ভয়ে এখন অনেক সাংবাদিক ভাই প্রায় নিস্ত্রীয়। মামলার অবস্থা এমন, জেলা শহর থেকে জামিনের উপায় নেই। যদিও কেউ করে দিতে চায় তাহলে হয়তো ঘর-বাড়ী বিক্রী করে টাকা দিতে হবে। আর সাজা বা জরিমানা যে পরিমান নির্ধারিত করা হয়েছে, একজন সৎ কলম সৈনিকের পক্ষে কলম চালিয়ে সেই পরিমান টাকা সংগ্রহ করা সারাজীবনে সম্ভব না। সাংবাদিকদের মধ্যে অসৎ যে নেই তা আমি বলছি না। হাজারে হয়তো অর্ধেকই সেরকম। যারা কলমের নাম ভাঙ্গিয়ে বা কলম বেচে চলে, সঠিক জায়গায় তেল মালিশ করে, কিন্তু কোন পত্রিকার সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত নয়, হয়তো কোন এক কালে ছিল। আমাদের এলাকায় একটা কথা আছে ‘আওয়াজে তাওয়া গরম’ ওদের সেই অবস্থা। অসৎ ব্যক্তিদের সাথে চালাক ব্যক্তির সম্পর্ক মাঝখান থেকে সাধারন সাংবাদিক অপবাদের শিকার হয়। কোথাও অনুসন্ধান মুলক সংবাদ করতে গেলে ওই কথিত সংবাদিকরা টাকার লোভে তখন অন্যপক্ষের ইনফর্মার হয়ে কাজ করে। নির্ভেজাল সাংবাদিকতায় বাধা সৃষ্টি করে, আইনি জটিলতায় ফেলে।

অনেক কিছু নিয়ে লিখতে ইচ্ছা করে, লিখতে চাই ক্লিনিকে প্রসুতির মুত্যুর পরবর্তি জোর পূর্বক আপষের ঘটনা নিয়ে, তাদের তদন্ত কমিটি তদন্ত রিপোর্ট নিয়ে, কিন্তু লিখা হয় না। আপষের পর লিখলে তখন তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ভয় কাজ করে। দোষি আবারও ছুরিতে শান দেয় নতুন প্রসুতির জন্য। লিখতে চাই শহরের কাঁচারি রোডে ট্রাফিক আইল্যান্ডের পাশে খোলামেলা পরিবহনের চাঁদাবাজি নিয়ে। লিখতে চাই ক্যাফেটেরিয়ায় দেশি-বিদেশি নানা সিগারেট বিক্রি হচ্ছে স্কুল পড়ুয়া অপ্রাপ্ত বয়স্কদের কাছে। লিখতে চাই মেয়াদের সিংহভাগ পেরিয়ে যাওয়া মহনপুর ব্রিজের টোল বানিজ্য নিয়ে, দিনাজপুরবাসি এখনও যার টোল দিচ্ছে। লিখতে ইচ্ছা করে চরম ইতিহাস বিক্রিতির ঘটনা  নিয়ে, বড় ময়দানে অবস্থিত শিয়া মুসলিমদের ‘ঘোড়া শহীদ’ মাজার থেকে বদলে ‘গোড়া শহীদ’ মাজার, তারপর ‘গোরে শহীদ’ হয়ে দিনাজপুর বড় মাঠের নামটাই বদলে দেওয়া ‘গোরে শহীদ ময়দান’ নিয়ে। লিখতে চাই অনুমোদনহীন বেসরকারি স্কুল গুলোতে সেশন ও টিউশন ফি বানিজ্য নিয়ে। কে শুনবে কে পড়বে, শুধু শুধু বিপদ ডেকে আনা শত্রু বাড়ানো। তাই কার খেয়েদেয়ে কাজ নাই অনুসন্ধান মুলক সংবাদ করতে যাবে, যখানে স্বগোত্রীয় লোক পিঠে ছুরি মারার জন্য বসে থাকে।

বাংলাদেশের প্রায় সব পত্রিকাই বর্তমানে সেই দ্য হ্যাপি নিউজ হয়ে যাচ্ছে। যেমন ধরেন, সব মাদক ব্যাবসায়ীরা ধরা পড়ে যাচ্ছে, মাদক ব্যাবসায়ী মাদক ব্যাবসায়ী নিজেরাই গোলাগুলি করে মরছে, মাদকসেবিরা আত্মসমর্পন করছে এবং প্রশাসন তাদের পূণর্বাসন করছে। সব সোনার চোরাচালান ধরা পড়ছে, সোনা গুলো রাজস্বে জমা হচ্ছে, প্রতিদিনই স্কুল কিংবা কলেজের নতুন নতুন একাডেমিক ভবন নির্মান কাজের উদ্বোধন হচ্ছে, ব্রিজ কালভাট উদ্বোধন হচ্ছে, যুব সমাজকে মাদক মুক্ত রাখতে খেলাধুলার নানা আয়োজন বিভিন্ন টুর্নামেন্টের উদ্বোধন, হাসপাতালে নতুন নতুন মেশিন উদ্বোধন, দুস্থ ও দরিদ্রদের জন্য ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প উদ্বোধন ইত্যাদি ইত্যাদি। হঠাৎ হঠাৎ বড়সড় সহিংসতা, দুর্ঘটনার ছাড়া ছোট ছোট সমস্যার সেখানে খুব একটা স্থান পায় না। দেশে কোন সমস্যা নেই, পর্যাপ্ত ত্রানের কারনে দেশে মঙ্গা বা বন্যাদুর্গতরা যথেষ্ট আরামে আছে, রোহিঙ্গাদের মত রাক্ষসী জাতিকে দেশ ভরণপোষণ করে যাচ্ছে, সম্ভবত ভবিষতে পূণর্বাসনও করবে। দুর্নীতিবাজরা দুর্নীতি দমন কমিশনের চাপে চ্যাপ্টা লেগে জবাব দিতে দিতে প্যান্ট নষ্ট করে ফেলছে, প্রশাসনের ভয়ে চোরাকারবারিরা অস্থির কিংবা দেশান্তরী। দেশের রাস্তাঘাট কংক্রিটের করার পরিকল্পনা চলছে, ফ্লাই ওভার, উড়াল রেল, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারন, পদ্মাসেতু, নতুন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ সব মিলিয়ে দেশের এখন হাইহাই কারবার। আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশ পৃথিবীর যে কোন আধুনিক দেশের সাথে পাল্লা দিতে প্রস্তত হয়ে যাবে। আলহামদুলিল্লাহ, আমিও চাই আল্লাহ্’র রহমতে আমাদের দেশ যেন সেরকম হয়।

ঢাকা চট্টগ্রামের বাহিরে বাংলাদেশের যে অসংখ্য শহর আছে তা হয়তো দেশের নিতি নির্ধারকরা মানতে চান না। তার মধ্যে আমাদের দিনাজপুর জেলা দেশের উত্তরে এক কোনে পড়ে গেছে। যোগাযোগের কারনে আমরা উত্তরাঞ্চলের অনেক জেলার চেয়ে অনেক পিছিয়ে আছি। যখন দিনাজপুর বৃহত্তর দিনাজপুর ছিল তখন জনসংখ্যা কম ছিল প্রয়োজন কম ছিল। একটা একতা ট্রেন আর দু’তিনটা নাইট কোচে কাজ হয়ে যেত। কিন্তু এখন জনসংখ্যা বেড়েছে, যানবাহন বেড়েছে সে তুলনায় রাস্তাঘাটের সম্প্রসারন হয়নি। এদিকে আন্তঃনগর ট্রেন গুলোও দিনাজপুর বাসির হাত ছাড়া। বিস্তৃত রাস্তার অভাবে কোন বড় পরিবহন প্রতিষ্ঠান এখানে ভাল কোচ/বাস চালু করে না। দিনাজপুর-রংপর মহাসড়ক চার লেনের হওয়া জরুরী, দিনাজপুর-চিরিরবন্দর-পার্বতীপুর-ফুলবাড়ী সড়কে যানবাহনের যা চাপ তাতে সড়কটিকে অবশ্যই চার লেনের করা দরকার। দিনাজপুর-ঘোড়াঘাট-গবিন্দগঞ্জ সড়কটি যত দ্রুত সম্ভব চার লেনের করা আবশ্যক। কিন্ত মুল শহরের রাস্তাঘাটের যা অবস্থা তাতে জেলা সদরের বাহিরের রাস্তার উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে চিন্তা করা প্রায় কাল্পনিক। দিনাজপুর জেলার চারিদিক দিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থার সম্প্রসারন না হলে, দিনাজপুর জেলার কখনও উন্নতি হবে না।

স্বৈরাচার সরকার কথিত এরশাদের আমলে দিনাজপুরের যা উন্নয়ন হয়েছিল তা এখনও দৃশ্যমান। জেলার বিভিন্ন ব্রিজ, বেইলি ব্রিজ, কালভাট ও রাস্তা। কিন্তু সেগুলো গত ছাব্বিশ সাতাশ বছর আগে নির্মিত। তখনকার দিনাজপুর জেলার অবস্থা আর বর্তমান অবস্থার মধ্যে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। দিন দিন আরও পরিবর্তন আসবে। অথচ তারপরও আমাদের পুরাতন ব্যবস্থার উপরে নির্ভর করে চলতে হচ্ছে। প্রতিশ্রুতি শুনতে ভাল লাগে, একমাত্র বিরল স্থলবন্দর সংযোগ সড়ক ছাড়া বাকি বাস্তবায়ন হতে দেখেছে কজন। সেটারও আয়ু কতদিন কে জানে! আমরা দিনাজপুর জেলার প্রতিটি ছোট বড় রাস্তার উন্নয়ন চাই। সড়ক উন্নয়ন হলে যোগাযোগে সুবিধা হবে, যোগাযোগে উন্নত হলে জেলার মানুষ ব্যবসা-বাণিজ্যে লাভবান হবে, ব্যবসায় লাভবান হলে শান্তি ফিরে আসবে। তখন আমার মত সাংবাদিক নিজে থেকে শান্তির খবর, উন্নয়নের খবর, ইতিবাচক খবর, স্বেচ্ছায় প্রকাশ করবে। সত্যিকার শান্তির জেলা দিনাজপুরের সব খবর দ্য হ্যাপি নিউজ হয়ে প্রকাশিত হবে।
আজাদ জয়
সম্পাদক
dinajpurnews.com

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য