ব্রুনেই দরুসসালাম আগামী সপ্তাহ থেকে সমকামিতার জন্য পাথর ছুড়ে হত্যা ও ডাকাতির জন্য অঙ্গচ্ছেদের মতো আইন বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।

এই দণ্ডবিধিকে নিষ্ঠুর ও অমানবিক বর্ণনা করে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।

ব্রুনেই দারুসসালামের এই শরিয়া দণ্ডবিধির প্রথম অংশটি ২০১৪-র এপ্রিলে বাস্তবায়ন করা হয়েছিল।

দণ্ডবিধির মুলতুবি বিধানগুলোতে সবচেয়ে গুরুতর অপরাধের নামে শিশুসহ যে কাউকে ঢিল ছুড়ে হত্যা ও অঙ্গচ্ছেদের শাস্তি দেওয়া যাবে।

নতুনভাবে আরোপিত কয়েকটি আইনের ধারায় এই শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এই দণ্ডবিধি ৩ এপ্রিল, ২০১৯ থেকে বাস্তবায়িত হবে বলে দেশটির অ্যাটর্নী জেনারেলের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা এক নোটিশ থেকে জানা গেছে।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনানুযায়ী, যে কোনো পরিস্থিতিতে পাথর ছোড়া, অঙ্গচ্ছেদ অথবা বেত্রাঘাত, আইনি সংস্থাগুলোর হেফাজতে নিয়ে নির্যাতনসহ সব ধরনের শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

স্বাক্ষর করলেও ব্রুনেই দারুসসালম এখনও নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক শাস্তির বিষয়ে ঘোষণাপত্র অনুমোদন করেনি। ২০১৪ সালে জাতিসংঘে দেশটির মানবাধিকার সংক্রান্ত পর্যালোচনায় ওই ঘোষণাপত্রের সব সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে অস্বীকার করে তারা।

আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের মূল ঘোষণাপত্রে যে কোনো ধরনের নির্যাতনসহ ও অন্যান্য নিষ্ঠুর শাস্তি পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এই ঘোষণা প্রত্যেক রাষ্ট্রের জন্য বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক আইন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও এর অধিকাংশ ধারাগুলোই অনুমোদন করেনি ব্রুনেই।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য