রংপুর সদর ও মিঠাপুকুর উপজেলা পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল (২৪ মার্চ)। এরইমধ্যে নির্বাচনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন।

রংপুরের দুটি উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলার ৪৭টি ভোট কেন্দ্রের সবগুলো কেন্দ্রেই ইভিএম মেশিনের মাধ্যমে ভোট নেওয়া হয়। ভোটের জন্য ইভিএমসহ সব নির্বাচনি সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। শনিবার দুপুর ২টার পর থেকে প্রিজাসাইডিং অফিসারদের ইভিএম মেশিনসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রিটানিং অফিসার কামরুল ইসলাম।

তিনি আরও জানান, সদর উপজেলার ৪৭টি ভোট কেন্দ্রের ৩৪৪টি বুথের জন্য ৬৮৮টি ইভিএম মেশিন দেওয়া হবে। এ ছাড়াও জরুরি প্রয়োজনে আরও মেশিন প্রস্তুত রাখা হবে।

অন্যদিকে মিঠাপুকুর উপজেলার ১৪৮টি ভোট কেন্দ্রে ব্যালট পেপারের মাধ্যমে ভোট অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে ব্যালট বাক্স ও ব্যালট পেপারসহ নির্বাচনি সরঞ্জাম উপজেলা নির্বাচনি কার্যালয়ে পৌঁছে গেছে। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে প্রিজাইডিং অফিসাররা এসব সামগ্রী গ্রহণ করে স্ব স্ব ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন।

রংপুর সদর উপজেলা ও মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাচনের আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রংপুর র‌্যাব-১৩ অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোজাম্মেল হক।

তিনি শনিবার দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে জানিয়েছেন, ভোটাররা যাতে নিরাপদে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে আবারও নিরাপদে বাড়িতে ফিরে আসতে পারেন। তার জন্য র‌্যাব বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। এ ছাড়াও নির্বাচনে ভোট কারচুপি, কেন্দ্র দখল ব্যালট পেপারে সিল মারাসহ প্রতিপক্ষের লোকজনের ওপর হামলাসহ যে কোনও অশুভ কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে দমন করা হবে।

তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলেন, ‘আপনারা ভোট কেন্দ্রে যাবেন পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন নির্ভয়ে। এতে কোনও ধরনের অরাজকতা করার অপচেষ্টা দমন এবং প্রতিরোধ করা হবে। নির্বাচনে র‌্যাবের বোমা ডিসপোজাল ইউনিট, ডগ স্কোয়ার্ডসহ স্পেশাল ইউনিট ইতিমধ্যে মোতায়েন করা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য