মো: জাকির হোসেন, সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা ॥ নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের স্বেচ্ছাসেবামূলক সংস্থা গরীব চিকিৎসা সেবা’র উদ্যোগে ১ হাজার রোগীর বিনামূল্যে চিকিৎসাপত্র ও ওষুধ প্রদান ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২২ মার্চ শুক্রবার সকাল ৯ টায় উপজেলার কামারপুকুর ইউনিয়নের কামারপুকুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত দিনব্যাপী চিকিৎসা ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন সৈয়দপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম গোলাম কিবরিয়া।

মেডিকেল ক্যাম্প ১ হাজার রোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়ার লক্ষ্যে ২১ জন ডাক্তার নিয়োজিত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সৈয়দপুরের ডাক্তারগণের পাশাপাশি রয়েছেন রংপুরের বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা। রংপুর থেকে ১১ জন ডাক্তারের টিমে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রংপুর মেডিকেল কলেজের মেডিসিন বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডাঃ বিডি বিধু।

সৈয়দপুরের ১০ জন ডাক্তারের নেতৃত্ব দিচ্ছেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) সৈয়দপুর শাখার সভাপতি ডা. শেখ নজরুল ইসলাম। ২১ জন চিকিৎসক হচ্ছেন- রংপুরের অধ্যাপক ডাঃ বিডি বিধু, ডা. মাজহারুল, ডা. নিশাত জাহান পিংকি, ডা. নুসরাত জাহান তুরিন, ডা. ফাহাদ বিন লতিফ, ডা. মো. আজিজুর রহমান, ডা. নুর-ই-শাবা, ডা. ফাহাদ তালুকদার, ডা. মারুফ তারিক, ডা. জাফরিন খানম, ডা. মোশাররফ হোসেন, ডা. নাজমুল ইসলাম এবং সৈয়দপুরের ডা. শেখ নজরুল ইসলাম, ডা. আনিসুল হক, ডা. মাহেরুখ সাদী হেনা, ডা. রাইসুল কবীর,ডা. আশিকুর রহমান (অপু), ডা. রায়হান তারেক, ডা. রাবেয়া আমির ভ্রমর, ডা. রশিদুল ইসলাম (সুমন), ডা. ফরিদুল ইসলাম ডলার।

উপরোক্ত চিকিৎসকবৃন্দ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত রোগীদের চিকিৎসাপত্র প্রদান করছেন। সে সাথে গরীব চিকিৎসা সেবা সংস্থার কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকরা সে সব রোগীর ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করছেন। এতে গরীব, অসহায় ও দরিদ্র শ্রেণীর মানুষেরা বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ পেয়ে খুবই উপকৃত হচ্ছেন বলে জানান কামারপুকুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল করিম লোকমান।

মেডিকেল ক্যাম্প পরিচালনার জন্য বেশ কয়েকদিন থেকে কামারপুকুর ইউনিয়নসহ সৈয়দপুর উপজেলায় ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়। এর ফলে দূর দূরান্ত থেকেও মানুষজন সেবা নিতে এসেছেন এই ক্যাম্পে। কিন্তু আগত মানুষের চেয়ে আয়োজন অত্যন্ত নগন্য হওয়ায় কিছুটা বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।

এর ফলে অনেকে কার্ড না পেয়ে চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে ফেরত গেছেন। যা গরীব মানুষের জন্য ভোগান্তির কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। তাছাড়া স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে অভিজ্ঞতার অভাবে প্রকৃত অসহায় মানুষগুলো ভীড়ের মাঝে ঠেলাঠেলী করে নিজেদের অসুবিধার কথা বলতে না পারায় তারা বিরক্ত হয়ে ফিরে গেছেন। এ ব্যাপারে ভবিষ্যতে আরও সচেতন হওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য