অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচী পলাশবাড়ী সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়েছে।  এ প্রকল্প চালু হওয়ায় মঙ্গা প্রবন উপজেলা পলাশবাড়ীর অতি দরিদ্র শ্রমিকরা আকাল কি তা এবার বুঝতে পারেনি বাহে। জানা গেছে, অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচীতে ১ম দফায় পলাশবাড়ী উপজেলায় সরকারী ভাবে  ১১’শ ৫০ জন শ্রমিকের ৪০ দিনের কর্মসৃজনের জন্য মজুরী বাবদ ৯২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। একজন শ্রমিক প্রতিদিন মজুরী বাবদ পেয়েছেন ২’শ টাকা করে। ইতিমধ্যেই পলাশবাড়ী উপজেলার ৯ ইউনিয়নেই ৪০ দিনের এই কর্মসৃজন কর্মসূচীর কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হয়েছে। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের রাস্তা ঘাট মেরামত, ঈদগাহ মাঠ ভরাট, মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল মাঠ ভরাট, বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধ মেরামত সহ বিভিন্ন প্রকল্পে শ্রমিকরা কাজ করছেন। সরেজমিনে দেখা গেছে উপজেলার বেতকাপা ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর হইতে বেতকাপা ব্রীজ, বেতকাপা শফি চৌধুরীর বাড়ী হইতে বালুর পালা পর্যন্ত, সাকোয়ার পাকা রাস্তা হইতে নুরুন্নবির বাড়ী পর্যন্ত, রাইতি নড়াইলের মোসলেম মেম্বারের বাড়ী হইতে কাদের মেম্বারের বাড়ী পর্যন্ত দুপার্শ্বে রাস্তার নিচু জায়গাসহ বিভিন্ন রাস্তা-ঘাট, মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির, মক্তবের মাঠ ভরাট করছেন শ্রমিকরা। হরিপুর গ্রামের শ্রমিক সাকোয়াত আলী, লেংগু, সাজু, রাজ নগর গ্রামের লালু, বাবলু, রুহুল আমিন  জানায়, এ কর্মসূচী চালু হওয়ায় এবার অভাব কি বাহে তা বুঝতে পাই নাই। বেতকাপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রোজিফা বেগম মিনা জানায়, সরকার এধরনের কর্মসূচী চালু করায় এক দিকে যেমন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অন্যদিকে ছোট ছোট প্রকল্প, গুলোও সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। তবে তিনি মঙ্গা প্রবন এলাকা হিসেবে বেতকাপা ইউনিয়নসহ পলাশবাড়ী উপজেলায় আগামী অর্থ বছরে আরও বেশী শ্রমিক বরাদ্দ করার জন্য সরকারের কাছে দাবী জানান। এদিকে পলাশবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান এ,কে,এম মোকছেদ চৌধুরী, নির্বাহী কর্মকর্তা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আলমগীর ও  প্রকল্প কর্মকর্তা, ট্যাগ অফিসার ও সুপারভাইজারগণ প্রতিদিন উপজেলা ৯টি ইউনিয়নে অতিদরিদ্রের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচী কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করছেন এবং অতিদরিদ্রের স্বঃস্ফুর্ত অংশ গ্রহণের মধ্যদিয়ে ও কাজ সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য