দিনাজপুরের সর্বপ্রথম ডিজিটাল আইডি কার্ডে ছাত্রীদের উপস্থিতিদিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের ঐতিহ্যবাহী সারদেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মাধ্যমে হাজিরা দিচ্ছে সারদেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ।

দিনাজপুরে কোন বিদ্যালয়ে প্রথম ডিজিটাল পরিচয়পত্রের মাধ্যমে হাজিরা নিয়ম চালু করল সারদেশ্বরী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (৬ মার্চ) এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও দিনাজপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো: ফরিদুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলো বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য মো: ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল হক প্রধান।

শিক্ষাকার্যক্রমকে আধুনিকায়নে ডিজিটাল পরিচয়পত্রে কার্যক্রম শুরু করেছে। ফলে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে প্রবেশ করে ডিজিটাল পরিচয়পত্রটি পাঞ্চ করা মাত্রই ডিজিটাল হাজীরা হয়ে যাচ্ছে। বিদ্যালয়ের পাঠ্য কার্যক্রম শুরুর ১০ মিনিটের মধ্যে কোন শিক্ষার্থী বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে প্রবেশ না করলে শিক্ষার্থীর অনুপস্থিতর এই তথ্যটি অভিভাবকের মোবাইল নাম্বারে বার্তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছে যাবে।

দিনাজপুরে কোন বিদ্যালয়ে আইডি কার্ড ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় হাজিরার এমন প্রযুক্তি এটিই প্রথম। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলা চেয়ারম্যান ফরিদুল ইসলাম বলেন, দিনাজপুরে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই প্রযুক্তি এই প্রথমবার চালু হয়েছে।

যা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার পথপরিক্রমরাই অংশ। এর মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও্ গতিশীল ও আধুনিক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য ফারুকুজ্জামান চৌধুরি মাইকেল ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল হক প্রধান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রতন কুমার রায় জানান, শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকায়নে আমরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। শিক্ষা উপকরণ সমৃদ্ধ শিক্ষা কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনমূলক কার্যক্রম, স্বয়ংক্রিয় প্রক্রিয়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গনে প্রবেশ করা মাত্রই উপস্থিতি রেকর্ড সহ নানা কার্যক্রম বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি চালু হওয়ায় বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উচ্ছাস প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীরা জানান, এমন আইডিকার্ড পেয়ে আমাদের ভিষণ ভালো লাগছে। বিদ্যালেয়ের ডিজিটাল কার্যক্রম আমাদেরকে বিদ্যালয়মুখি করণে অনুপ্রাণিত করছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য