আইএস বধূ শামীমাকে নিয়ে হল্যাণ্ডে থাকতে চান স্বামীলন্ডন থেকে আইএসে যোগ দেয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক শামীমা বেগমকে নিয়ে নেদারল্যাণ্ডে বসবাস করতে চান তার স্বামী ডাচ নাগরিক ইয়াগো রিয়েদিজিক। বিবিসির সঙ্গে সাক্ষাৎকারে রিয়েদিজিক জানান, তিনি আইএসের জন্য লড়াই করলেও পরে আইএস সদস্যদের হাতেই নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন।

বর্তমানে একটি কুর্দি কারাগারে বন্দী আছেন রিয়েদিজিক। সেখান থেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, স্ত্রী শামীমা ও সদ্যজাত সন্তানকে নিয়ে নিজ দেশে বসবাস করাই এখন তার ইচ্ছে।

২০১৫ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে আইএসের উদ্দেশ্যে লন্ডন ছেড়েছিলো বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত শামিমা। পরে সিরিয়ায় নেদারল্যান্ড থেকে আসা আইএসের নওমুসলিম ইয়াগো রিয়েদিজিককে বিয়ে করে সে। আগের দুই সন্তান নষ্ট হওয়ার পর গত মাসে সিরিয়ার শরণার্থী শিবিরে ছেলে সন্তানের জন্ম দেন শামিমা।

বর্তমানে ইয়াগো রিয়েদিজিকের বয়স ২৭। ২০১৫ সালে রাকায় শামীমাকে বিয়ে করার সময় তার বয়স ছিলো ২৩ বছর। তিনি বলেন, কম বয়সী হওয়ায় প্রথমে শামীমাকে বিয়ে করতে রাজি ছিলেন না। পরে শামীমার ইচ্ছাতেই বিয়ে হয়।

আইএসের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে মত বিরোধ দেখা দেয়ায় রিয়েদজিককে ডাচ চর আখ্যা দিয়ে রাকা শহরে আটক করে রাখা হয়েছিলো। পরে শামীমাকে নিয়ে রাকা থেকে পালিয়ে এসে সিরিয়ার একটি যোদ্ধা বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। অন্যদিকে, সন্ত্রাসী সংগঠনে যোগ দেয়ার অপরাধে রিয়েদিজিককে ৬ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে নেদারল্যান্ডের একটি আদালত।

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাজিদ জাভিদ জানিয়েছেন শামীমা বেগমের ব্রিটিশ নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়া হবে। যেহেতু শামীমা বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার যোগ্য সেহেতু ব্রিটিশ আইন অনুযায়ী তার নাগরিকত্ব বাতিল করা হবে। কিন্তু পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, শামীমাকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেয়া হবে না।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য