সর্দি-কাশিঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সর্দি-কাশি হওয়াটা বেশ স্বাভাবিক বিষয়। একটু সাবধান হলেই এর থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের ওপর প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে ঠাণ্ডা প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে কয়েকটি পন্থা এখানে দেওয়া হল।

পর্যাপ্ত ভিটামিন ‘ডি’: গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন ডি’র ঘাটতি আছে এমন মানুষদের ঠাণ্ডা কাশির সমস্যা বেশি দেখা দেয়। ভিটামিন ডি সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। খাবার থেকে পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি গ্রহণ করা বেশ কঠিন। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন ডি’র সম্পূরক গ্রহণ করতে পারেন।

হাত পরিষ্কার রাখা ও মুখ থেকে দূরে রাখা: হয়ত খেয়াল করেননি যে, দিনে কতবার মুখে হাত লাগানো হয়। ২০১৬ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, একজন মানুষ গড়ে ১৬ বার তার মুখে হাত লাগায়।

আমরা হাতের ওপর মাথা রেখে ঘুমাই এছাড়াও নানান কারণে বার বার হাত মুখে লাগে। ফলে খুব সহজেই ভাইরাস মুখ ও পেটে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়াও, সকলের সঙ্গে ‘হ্যান্ডশেইক’ থেকে বিরত থাকুন।

ঠিকভাবে হাত ধোয়া জরুরি। কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে। যখন হাত ধুতে পারবেন না তখন ‘স্যানিটাইজার’ ব্যবহার করুন।

ফোন থেকে দূরে থাকুন: এক মিনিট ভেবে দেখুন সারাদিনে কোথায় কোথায় ফোন রেখেছেন? ২০১২ সালের ইউনিভার্সিটি ওফ অ্যারিজোনা’র এক গবেষণা থেকে জানা যায় ফোন টয়লেটের চেয়ে ১০ গুন বেশি ব্যাকটেরিয়া বহন করে।

পর্যাপ্ত জিংক: পর্যাপ্ত জিংক শরীরে ভাইরাসের বৃদ্ধি কমায়। তাছাড়া ঠাণ্ডার লক্ষণ দেখা দেওয়ার সঙ্গে জিংক টেবলেট খাওয়া হলে ঠাণ্ডার স্থায়িত্ব ও তীব্রতা কমে।

প্রোবায়োটিক গ্রহণ: প্রোবায়োটিকের ভালো ব্যাক্টেরিয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ২০১৪ সালে ‘দ্যা জার্নাল অব সায়েন্স অ্যান্ড মেডিসিন ইন স্পোর্টস’য়ে প্রকাশিত এক গবেষণা থেকে জানা গেছে, প্রোবায়োটিক গ্রহণ করেন এমন রাগবি খেলোয়াড়রা যারা প্রোবায়োটিক গ্রহণ করে না তাদের চেয়ে কম ঠাণ্ডা ও গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল সংক্রমণে ভোগেন।

প্রোবায়োটিক গ্রহণ করেন এমন লোকেদের ঠাণ্ডা কাশির লক্ষণ দেখা দিলেও তার তীব্রতা অন্যদের চেয়ে কম থাকে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য