পেশিতে ব্যথাঅনেকদিন ধরে ব্যথা থাকলে বা প্রায় প্রতিদিনই পেশিতে টান খেলে সমাধানের চেষ্টা করা যেতে পারে প্রাকৃতিক উপায়ে।

যে কোনো শারীরিক কর্মকাণ্ডের পর যদি পেশিতে ব্যথা হয় তাহলে বুঝতে হবে এই ধরনের কাজ আগে করেননি। আবার ব্যায়াম বেশি করার জন্যও ব্যথা হতে পারে।

এই ধরনের ব্যথা সাধারণত কয়েকদিনের মধ্যেই সেরে যায়। যদি না সারে সেজন্য রয়েছে সহজ কিছু ঘরোয়া সমাধান।

স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে সেসব সমাধান এখানে দেওয়া হল।।

এসেন্সিয়াল অয়েল: ‘লেমনগ্রাস’, ‘পেপারমিন্ট’ ও ‘মারযোরাম’ এসেন্সিয়াল অয়েল পেশির ব্যথা নিরাময়ে কার্যকর। নারিকেল তেল, জলপাইয়ের তেল ইত্যাদির সঙ্গে দুএক ফোঁটা এসেন্সিয়াল অয়েল মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে মালিশ করতে হবে।

ইপসম লবণ: ম্যাগনেশিয়াম সালফেট’য়ে ভরপুর এই উপাদান পেশির ব্যথা সারানোর একটি প্রাকৃতিক উপায়। পেশিতে জমে থাকা যে তরলের কারণে এই ব্যথা হয় তা বের করে আনে ম্যাগনেশিয়াম। গোসলের পানিতে এক কাপ ইপসম লবণ গুলিয়ে গোসল করতে বেশ উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া ব্যথায় আক্রান্ত পেশি ইপসম লবণ মেশানো কুসুম গরম পানিতে ডুবিয়ে রাখতে পারেন যতক্ষণ পানি ঠাণ্ডা না হয়। সপ্তাহে তিনবার এই পদ্ধতি চালাতে হবে। তবে যাদের হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস আছে তাদের এই পদ্ধতি ব্যবহারের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

অ্যাপল সাইডার ভিনিগার: পেশির ব্যথা রোধে এই ভিনিগার বেশ উপকারী। এক গ্লাস পানিতে এক চা-চামচ অ্যাপল সাইডার ভিনিগার মিশিয়ে পান করতে পারেন কিংবা আক্রান্ত স্থানে ভিনিগার মাখাতে পারেন। এতে থাকা প্রদাহরোধী ও ‘অ্যালকালাইজিং’ উপাদান পেশির ব্যথা ও প্রদাহ রোধে কাজ করে।

চেরি ফলের শরবত: ‘টার্ট চেরি জুস’য়ে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। ‘ব্রিটিশ জার্নাল অফ স্পোর্টস মেডিসিন’য়ে প্রকাশিত এক গবেষণা অনুযায়ী, পেশির ব্যথা সারাতে এই শরবত বেশ উপকারী। ভারি ব্যায়ামের পর স্মুদিতে এই ফল যোগ করতে পারেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য