গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেইআরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ দীর্ঘদিন ধরে গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই। ফলে রোগী ও তাদের আত্মীয়-স্বজন চরম বিপাকে পড়ছেন। এব্যাপারে আবেদন করেও এখন পর্যন্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ দেয়ার কোনো উদ্যোগ নেয়নি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ।

জেলা হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালে ২০০ শয্যায় উন্নীত হলেও জনবল অনুমোদন না হওয়ায় ১০০ শয্যার জনবল নিয়েই দৈনন্দিন কার্যক্রম চলছে বছরের পর বছর। আবার সেই ১০০ শয্যার জনবলের মধ্যেও নেই বিভিন্ন রোগের সিনিয়র কনসালটেন্ট সাতজন, জুনিয়র কনসালটেন্ট পাঁচজন, একজন করে মেডিকেল অফিসার ও ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার এবং আটজন সহকারী সার্জনসহ বিভিন্ন পদের জনবল।

সূত্রে আরো জানা গেছে, চক্ষু, নাক, কান, গলা এবং চর্ম, যৌন ও এলার্জি রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক না থাকায় এসব রোগের রোগীদের রংপুর ও বগুড়ায় গিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। রোগীরা চিকিৎসার জন্য এসব এলাকায় যাতায়াত করতে নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

এছাড়াও তাদের আত্মীয়-স্বজনরা অতিরিক্ত খরচ, সময় ব্যয়সহ নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। রোগী ও তাদের স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, বিশেষজ্ঞ এসব চিকিৎসক না থাকায় রোগীদের রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এতে করে আর্থিকভাবে লোকসান ও নানান সমস্যায় পড়তে হয় রোগী ও তাদের স্বজনদের। অথচ এসব রোগের চিকিৎসক যদি জেলা হাসপাতালেই থাকতেন তাহলে রোগী ও তাদের স্বজনরা ভোগান্তির শিকার হতো না।

হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. আ.খ.ম আসাদুজ্জামান বলেন, এসব শূন্য পদের তালিকা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রায় দুই বছর ধরে নেই চক্ষু ও নাক, কান, গলার কোন চিকিৎসক। এ ছাড়া আজ পর্যন্ত চর্ম, যৌন ও এলার্জি রোগের কোন চিকিৎসককে দেয়া হয়নি এই জেলা হাসপাতালে। জরুরীভিত্তিতে এসব রোগের চিকিৎসক দরকার আমাদের।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য