ব্রাজিল সীমান্তে সেনাবাহিনীর গুলিতে নিহত ২ভেনেজুয়েলায় বিদেশি ত্রাণ ঢোকা নিয়ে বিরোধের জেরে ব্রাজিল সীমান্তের কাছে সেনাবাহিনী গুলি চালালে ২ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।

শুক্রবার সকালে দক্ষিণাঞ্চলীয় সীমান্ত শহর কুমারাকাপায় স্থানীয়দের সঙ্গে সেনাদের এ সংঘর্ষে আরও ১৫ জন আহত হয়েছে।

ভেনেজুয়েলার নিরাপত্তা বাহিনী সীমান্ত বন্ধ করতে অগ্রসর হওয়ার সময় মানুষের বাধার মুখে গুলি চালালে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে ভেনেজুয়েলায় বিদেশি ত্রাণ আটকাতে ব্রাজিল সীমান্ত বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো।

ভেনেজুয়েলা ও কলম্বিয়ার মধ্যকার একটি সংযোগ সেতুর উভয় পাশে প্রেসিডেন্ট মাদুরো এবং স্বঘোষিত অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হুয়ান গুইদোর পাল্টাপাল্টি কনসার্ট শুরুর সময়ই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় গ্র্যান সাবানা শহরের মেয়র এমিলিও গঞ্জালেজ জানান, ভেনেজুয়েলার ন্যাশনাল গার্ড এবং সেনারা ট্যাংক নিয়ে অগ্রসর হওয়ার সময় স্থানীয় পেমন স্বদেশী গ্রুপের সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

এলাকার স্থানীয় সম্প্রদায়ের অনেকেই গুইদোর ত্রাণ আনার চেষ্টাকে সমর্থন করছেন। ভেনেজুয়েলার তথ্যমন্ত্রণালয় সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে তাৎক্ষণিভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে যুক্তরাষ্ট্র রক্তক্ষয়ের এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে।

শনিবার ভেনেজুয়েলা কলম্বিয়া সীমান্তের একাংশও বন্ধ করে দিয়েছে বলে জানিয়েছে বিবিসি।

শুক্রবার কলম্বিয়ার কুকুটা শহরে আয়োজিত কনসার্টে গুইদো হাজির হলে কলম্বিয়া, পেরু ও চিলির তিন প্রেসিডেন্ট তাকে স্বাগত জানান। দেশ তিনটি আগেই গুইদোকে ভেনেজুয়েলার বৈধ রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল।

গুইদোর দাবি, ভেনেজুয়েলার সশস্ত্রবাহিনীর সদস্যদের সহযোগিতা নিয়েই তিনি সীমান্ত অতিক্রম করে কলম্বিয়া এসেছেন। বিরোধী এ নেতা সেনাবাহিনীর ভেতর তার প্রভাব আছে বলে দাবি করলেও এখন পর্যন্ত ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বাহিনীর সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশই মাদুরোর অনুগত বলে ধারণা পর্যবেক্ষকদের।

গুইদো এর আগে যে কোনো মূল্যে ২৩ ফেব্রুয়ারি ভেনেজুয়েলায় ত্রাণ ঢোকানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য