দিনাজপুরে শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় মহান একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিতদিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় মহান একুশে ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০১৯ পালিত হয়েছে। জেলাবাসী স্মরন করেছে ভাষা শহীদদের। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ ফুলে ফুলে ছেয়ে দিয়েছে গোর-এ-শহীদ বড় ময়দানে অবস্থিত শহীদ কেন্দ্রীয় মিনারসহ জেলার প্রতিটি শহীদ মিনার। আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মহান ভাষা দিবস পালন করেছে জেলাবাসী।

২১ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার একুশের প্রথম প্রহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে পুষ্প অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিম, জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল আলম, পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম, জেলা ও দায়রা জজ আজিজ আহমেদ ভুঞা, দিনাজপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ’র নেতৃবৃন্দ, দিনাজপুর পৌরসভটার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীল আলম ও প্যানেল মেয়র মো. আহাম্মেদুজ্জামান ডাবলু’র নেতৃত্বে পৌসভার কাউন্সিলরবৃন্দ, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দিনাজপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান লুলু ও সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আহমেদ কুমার’র নেতৃত্বে প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের সভাপতি ওয়াহেদুল আলম আর্টিষ্ট ও সাধারণ সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন’র নেতৃত্বে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, অপর অংশের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নুরুল হুদা দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহিন হোসেন’র নেতৃত্বে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া রাতে শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আবু বকর সিদ্দিক‘র নেতৃত্বে বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. কান্তা রায় রিমি’র নেতৃত্বে কলেজের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পরিচালকের নেতৃত্বে কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, দিনাজপুর সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস’র নেতৃত্বে সিভিল সার্জন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মো. আহাদ আলী ও আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. পারভেজ সোহেল রানা’র নেতৃত্বে হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বিএমএ দিনাজপুর ইউনিট নেতৃবৃন্দ, এলজিইডি, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, গনপূর্ত বিভাগ, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, দিনাজপুর শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিসহ বিভিন্ন সংগঠন।

হাবিপ্রবিঃ হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০১৯ পালিত হয়েছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে জাতীয় পতাকা অর্ধ-নমিত ও কালো পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মু. আবুল কাসেম‘র নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, ছাত্র-ছাত্রী ও কর্মচারীরা কালো ব্যাচ ধারণ করে প্রভাত ফেরীতে অংশ নেয়। প্রভাত ফেরী শেষে উপাচার্য শহীদদের বিদেহী আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। ক্রমান্বয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হাবিপ্রবি শাখার নেতৃবৃন্দ ও কর্মচারীগণ। এছাড়া বিশ^বিদ্যালয়ের প্রায় ২৫টি সংগঠন পুস্পস্তবক অর্পণ করে মহান ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। এরপর মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে উপাচার্যের বাণী পাঠ ও বিতরণ করা হয়।

ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে উপাচার্য তার বাণীতে বলেন, “মাতৃভাষার দাবীতে বাঙালি তরুনদের সেদিনের আত্মবলিদান শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; যা পরবর্তীতে একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। ভাষা আন্দোলন আমাদের অন্তরে যে চেতনা ও শক্তি যুগিয়েছিল তা-ই পরবর্তীতে প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রামকে বেগবান করে তোলে। এ আন্দোলনের পথ বেয়েই এগিয়ে গেছে আমাদের স্বাধিকার আদায়ের সকল সংগ্রাম। এর চূড়ান্ত ফসল হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ”।

এরপর শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের আয়োজনে এক আলোকচিত্র প্রদর্শনী এবং শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মু. আবুল কাসেম। বাদ জোহর ভাষা শহীদদের উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।

ফুলবাড়ীঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে শহীদদের প্রতি বিন¤্রশ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্যদিয়ে পালিত হয়েছে আর্ন্তজাতীক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস।

বৃহস্পতিবার আর্ন্তজাতীক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষে, দিবসের প্রথম প্রহরে (রাত ১২টা একমিনিটে) ফুলবাড়ী সরকারী কলেজ প্রঙ্গনে কেন্দ্রিয় শহীদবেদিতে উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খুরশিদ আলম মতির নেতৃত্বে পুষ্পার্পন করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উপজেলা পরিষদ। এ্রপর একে একে পুষ্পার্পন করেন ্ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরীর নেতৃত্বে উপজেলা প্রশাসন, পৌর মেয়র মুরতুজা সরকার মানিক এর নেতৃত্বে পৌর পরিষদ, ওসি শেখ নাসম হাবিবের নেতৃত্বে ফুলবাড়ী থানা। এছাড়া ফুলবাড়ী উপজেলা প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীগন প্রভাত ফেরি ও শহীদবেদিতে প্রষ্পার্পন করেন।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে অফিসার্স কল্যান এসাসিয়েশন ও শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নঃ দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির অফিসার্স এসোসিয়েশন ও শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ) পৃথক কর্মসূচির মধ্যদিয়ে আর্ন্তজাতীক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস পালন করেছে।।

বৃহস্পতিবার আর্ন্তজাতীক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষে, সকাল ৮ টায় শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন (সিবিএ) কার্য্যলয়ে পাতাকা উত্তোলন করেন বড়পুকুরিয়া বিসিএমসিএল এর শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন এর সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ ও সাধারন সম্পাদক মাহফিজুর রহমান। এসময় শ্রমিক নেতা আব্দুল আলিম, আব্দুল নুর শাহিন মন্ডল , শাহিনুর আলম সিরাজুল ইসলাম হেলারসহ শ্রমিক নেতৃবৃন্দরা উপস্তিত ছিলেন।

পতাকা উত্তোলন শেষে সিবিএ কার্য্যলয় থেকে একটি শোকর‌্যালী বের হয়। র‌্যাটি খনি এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে পুনরায় সিবিএ কার্য্যলয়ে এসে শেষ হয়। অপরদিকে বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির সদরদপ্তরের মনমলাই প্রাঙ্গন থেকে অফিসার্স এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে একটি র‌্যালী বের হয়। র‌্যালীটি খনি এলাকা প্রদক্ষিন করে পুনরায় মনমলাই শহীদ মীনারে এসে শেষ হয়।

ঘোড়াঘাটঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ২১ শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযথ ভাবে উদযাপন হয়ছে। দিবস টি উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,সামাজিক প্রতিষ্ঠান,রাজনৈতিক এবং বিভিন্ন এন জি ও শোক র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেন।প্

রথম প্রহরে উপজেলার রানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ঘোড়াঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুর রাফে খন্দকার সাহানশার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ,যুব লীগ,ছাত্রলীগ,কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ,স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা ও কর্মীদের নিয়ে শহীদদের স্মরনে পুষ্প স্তাপক অর্পণ করেন। সকাল৭ টায় ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানমের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা -কর্মচারি দের নিয়ে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদদের স্মরনে পুষ্প স্তাপক অর্পণ করেন।

শোক র‍্যালি বের করে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সকাল ৮টায় ঘোড়াঘাট সরকারি কলেজ, রানীগঞ্জ ২য় দ্বি-মুখী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক -কর্মচারি ও শিক্ষার্থীরা শহীদ মিনারে পুষ্প স্তাপক অর্পণ করে শোক র‍্যালি বের করেন।অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনার না থাকায় বাঁশ ও কলার গাছ দিয়ে শহীদ মিনার স্হাপন করে সেখানে শহীদদের স্মরনে পুষ্প স্তাপক অর্পণ করেন।

বীরগঞ্জঃ ২১ শে ফেব্রুয়ারী সকালে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০১৯ উদ্যাপন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ চত্বরে শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালের।

পরে উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে প্রভাত ফেরী র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালীটি মুক্তিযুদ্ধ বিজয় চত্বও সহ শহরের প্রধান প্রধান প্রদক্ষিন করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে সমাপ্ত করা হয়।

প্রভাত ফেরী র‌্যালী শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়ামিন হোসেনের সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ চত্বর বটমুলে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

কাহারোলঃ ২১ শে ফেব্রুয়ারী মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০১৯ উদ্যাপন উপলক্ষে কাহারোল উপজেলা পরিষদ চত্বরে শহীদ মিনারে প্রথম পহরে রাত ১২টা ১ মিনিটে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল এসব কথা বলেন।

এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মামুনুর রশীদ চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাসিম আহমেদ, উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডা পুরন চন্দ্র রায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম ফারুক,উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মো. হাফিজুল ইসলাম চৌধুরী, কাহারোল থানা ওসি মো. আইয়ুব আলী, কাহারোল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আমিনুল ইসলাম সহ অন্যন্যা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে মহান শহীদ দিবস উদ্যাপন উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন, পুলিশ প্রশাসন, প্রেসক্লাবসহ বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন শেষে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন ও দোয়া করেন জাতীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপালসহ অন্যন্যা নেতৃবৃন্দ। ২২ ফেব্রুয়ারী সকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে প্রভাত ফেরী অনুষ্ঠিত। প্রভাত ফেরী শেষে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২১ এর উপর চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

 

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য