আব্দুল মান্নান,হাবিপ্রবিঃ হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে(হাবিপ্রবি) আন্দোলনরত শিক্ষকদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ায় ক্লাস পরীক্ষায় ফেরার সিন্ধান্ত জানিয়েছে আন্দোলন্রত শিক্ষকরা ।

রবিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি ) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) প্রতিনিধিদল আন্দোলনকারী শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে দফায় দফায় দিনভর আলোচনা করেন। প্রথমে প্রশাসনিক ভবনে, পরে অডিটরিয়াম-২ এ আলোচনায় বসেন তারা।বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আলোচনায় কোন সমাধান না আসায় পরে অডিটরিয়াম-২ এ আলোচনায় বসেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন,বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের প্রতিনিধিদল ও আন্দোলনকারী সদ্য পদোন্নতি প্রাপ্ত শিক্ষক, প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরাম।

এসময় অডিটরিয়ামের বাইরে অবস্থান গ্রহণ করেন ক্লাস-পরীক্ষার দাবিতে আন্দোলন কারী বিজ্ঞান এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের শিক্ষার্থীরা। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে আলোচনা চলাকালীন সময়েও তারা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন।কোন সিন্ধান্ত না জানিয়ে সন্ধ্যা ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়াম-২ থেকে হতে বের হতে চাইলে তালাবদ্ধ করে রাখেন বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা । পরে রাত সাড়ে ১২টায় উপাচার্য স্বাক্ষরিত লিখিত একটি ঘোষণা পত্র হাতে পাওয়ার পর অডিটোরিয়াম-২ এর তালা খুলে দেওয়া হয়।

লিখিত ঐ ঘোষণাপত্রে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের দাবির প্রেক্ষিতে বলা হয়েছে (১) রেজিস্টার ড. সফিউল আলমের ৩১ মার্চের মধ্যে চুক্তি বাতিল (২) বহিস্কৃত দুইজন শিক্ষকের বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার। তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ১৪ নভেম্বর ২০১৮ এবং ২৯ নভেম্বর ২০১৮ তারিখের ঘটনাসমূহের ব্যবস্থা গ্রহণ। (৩) বেতন বৈষম্য সমাধানের জন্য মাননীয় ভিসি মহোদয় কর্তৃক ঘোষিত সর্বশেষ রিজেন্ট বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আন্দোলনরত ৫৭ জন সহকারী অধ্যাপকের পে-স্কেল বাস্তবায়ন। (৪) প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের ৩ জন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ জন শিক্ষক (৬ সদস্য বিশিষ্ট) সর্বজন গ্রহণযোগ্য তদন্ত কমিটি গঠন।

আজ ১৮ ফেব্রুয়ারি উপরোক্ত ২, ৩ ও ৪ নং সিদ্ধান্তের ব্যাপারে অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। এছাড়াও প্রগতিশীল শিক্ষক ফোরামের অন্যান্য দাবি ৩১ মার্চ ২০১৯ তারিখের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পদক্ষেপ নেওয়া জন্য বলা হয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য