দিনাজপুরে মেধাবী ছাত্র জুলফিকারের দুটি কিডনি নষ্টদিনাজপুর সংবাদাতাঃ পৃথিবীতে কোন “মা” চাইবে না তার সন্তানকে বাচাঁতে। মা সন্তানকে একটি কিডনি দিতে চায়, কিন্তু গরীব হওয়ায় আজ অর্থের অভাবে কিডনি স্থানান্তর করতে পারছে না পরিবারের সদস্যরা।

দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার কাজিহাল ইউনিয়নের আমড়া পাড়া গ্রামের সাহদার রহমানের ছেলে জুলফিকার রহমান। জুলফিকার উপজেলার মুরারীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেনীর ছাত্র। জীবন শুরুর আগেই মরন ব্যাধি কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে তার দুটো কিডনি নষ্ট হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকগন। এই গ্রামের গামের্ন্ট শ্রমিক সাহদার রহমান তার স্ত্রী স্ত্রী নুর বানু বেগম, এক ছেলে ও এক মেয়ে নিয়ে তার ছোট সুখের সংসার।

অসহায় পরিবারে শেষ সম্বল টুকু বিক্রি করে হলেও মা নিজের সন্তানকে পৃথীবিতে জীবিত দেখতে চায়। সর্বশেষ মায়ের মমতা বসে থাকেনি, শেষ চেষ্টা হিসেবে ছেলেকে বাঁচাতে তাঁর নিজের কিডনি দিতে প্রস্তুত মা । কিন্তু অর্থের অভাবে কিডনি প্রতিস্থাপনের দরকার ৭ লক্ষ টাকা যা সর্বশেষ চেষ্টার পথে বাঁধা। সমাজের বিত্ববান ব্যক্তিরা যদি জুলফিকারের অসহায় পরিবারেব পাশে এসে দাড়ায় তাহলে হইতো আবারো সে সমাজে মানুষের সাথে বেচেঁ থাকতে পারবে।

জুলফিকারের বাবার সাথে কথা বলে জানা যায়,তিনি বসত বাড়ির ভিটা-মাটি বিক্রি করে ছেলে চিকিৎসা করাচ্ছেন। চিকিৎসকেরা বলেছেন জুলফিকারের একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করলে তাকে বাঁচানো সম্ভব হবে। সর্বশেষ তার মা তাকে একটি কিডনি দিতে চেয়েছে। কিন্তু সেই কিডনি প্রতিস্থাপন করতে এখন অনেক টাকার প্রয়োজন। সেই টাকা কিভাবে যোগাড় হবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তা পড়িছি। টাকা যোগাড় না করতে পারলেই চিরতরে হারাতে হবে আমার সন্তানকে।

আমি সমাজের বৃত্তবানদের নিকট, ছেলেকে বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছি। সমাজের বিত্তবানদের সাহায্যে বেঁচে যেতে পারে আমার সন্তানের প্রাণ। সাহায্য পাঠানোর জন্য বিকাশ নং-০১৭৯৮-৫৮৯৪৪৪। অগ্রনী ব্যাংকের হিসাব নং-০২০০০০৮১০৭১৩৩ মাদিলাহাট ফুলবাড়ি শাখা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য