গাইবান্ধায় সংবাদ সম্মেলনে পাওনা টাকা চাওয়ায় সাবেক সেনা সদস্যকে হয়রানি অভিযোগসংবাদ সম্মেলনঃ পাওনা দুই লাখ ৭০ হাজার টাকা চাওয়ায় গাইবান্ধা শহরের পশু হাসপাতাল রোডের এস. জেড হায়দার নামের সাবেক এক সেনা সদস্যকে মিথ্যা মামলায় হয়রানির অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার মো. আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে।

এছাড়া চেক চুরির অভিযোগ দেয়া সত্ত্বেও গাইবান্ধা সোনালী ব্যাংক, পুরান বাজার শাখা ম্যানেজারের যোগসাজসে বেআইনীভাবে চেক ডিজঅনার করে হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেছে। এস.জেড হায়দার শনিবার গাইবান্ধা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনার প্রতিকার ও আব্দুল আজিজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপারের কাছে দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এস. জেড হায়দার বলেন, প্রতিবেশি কালফত শেখের পুত্র মো. আব্দুল আজিজ বিভিন্ন সময়ে তার ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এসএম আমিন ভ্যারাইটিজ স্টোর থেকে ফ্লেক্সিলোড, বিকাশ ও পণ্য ক্রয় বাবদ ২ লাখ ৭০ হাজার টাকা ধার নেয়। এই টাকা চাইতে গেলেই আব্দুল আজিজ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও বিভিন্ন ধরণের হুমকি, এমনকি মেরে ফেলারও হুমকি দেয়।

বাধ্য হয়ে এস.জেড হায়দার ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ সদর থানায় একটি জিডি করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আব্দুল আজিজ কৌশলে তার বাড়ি শয়ন ঘরের শোকেসের উপর থাকা সোনালী ব্যাংক পুরান বাজার শাখার চেকের একটি পাতা চুরি করে (যার একাউন্ট নং ৫১১৩৬০১০০৮২৫৯, পাতা নং ৬২০৬৪৪৮)। এব্যাপারে সদর থানায় একটি জিডি করে ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি লিখিতভাবে অবগত করা হয়।

এরপর ২০১৮ সালের ৯ মে আজিজ উল্টো এসজেড হায়দার সেই টাকা নিয়েছে বলে উকিল নোটিশ করে। ওই উকিল নোটিশে উল্লে¬খ করা হয়, এস.জেড হায়দার ওই টাকার বিনিময়ে তাকে উক্ত হারানো চেকের পাতাটি দিয়েছেন। এরপর আব্দুল আজিজ গত ১৮ জুলাই তার বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের হয়রানিমূলক একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে।

এছাড়াও ১৯৮৫ সালে সেনাবাহিনীতে কর্মরত থাকা অবস্থায় আব্দুল আজিজের কাছে ৪২ শতক জমি ক্রয় করলেও তাকে আজিজ ৩৯ শতক জমি বুঝে দেয়া হয়। বিষয়টি থানা পর্যন্ত গড়ালে বাকি ৩ শতক জমির মধ্যে ২ শতক বুঝে দিলেও ১ শতক জমি এখনও হায়দারের পাওনা রয়েছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য