দিনাজপুর সংবাদাতাঃ খাদ্যে ভেজাল নতুন কিছু নয়। আর এ জন্য মাঝে মাঝে ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা হয়ে থাকে। কিন্তু মাংসের মান নিয়ন্ত্রনের কোন ব্যবস্থা নাই। বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রতিদিনই পশু জবাই হয়ে থাকে। জানা যায় বর্তমান সময়ে পশু মোটা তাজা করনে নানা রকমের ঔষধ,খাদ্য ব্যবহার হয়ে আসছে।

এমন কি রাসায়নিক সারও ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর এসব পশুর মাংস মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর কিনা তার মান নির্নয়ের কোন সু ব্যবস্থা নাই। দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার ২৫টি হাট-বাজারে সপ্তাহের প্রতিদিনই কোন না কোন হাট-বাজারে পশু জবাই হয়ে থাকে।

এসব পশু জবাইয়ের পূর্বে কোনটি ডাক্তারী পরিক্ষা করা হয় না। পশু জবাইয়ের কোন নীতিমালা আছে কিনা এ সম্পর্কে নবাবগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকতা ডাঃ মোঃ নাসিরুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রন আইন ২০১১ এর বিধি এখন পর্যন্ত প্রনীত না হওয়ায় উপজেলার হাট-বাজারগুলিতে পশু জবাইয়ের পূর্বে ডাক্তারী পরিক্ষার সুস্পষ্ট নির্দেশ পাওয়া যায় নাই।

এ জন্য তার দপ্তরে পশু জবাইয়ের পূর্বে ডাক্তারী পরিক্ষার জন্য কোন লোক নিয়োজিত নাই এবং কোন পশু জবাইয়ের পূর্বে ডাক্তারী পরিক্ষাও করা হয়না। সচেতন মহল মনে করেন নীতি মালা প্রণয়ন করে পশু জবাইয়ের পূর্বে ডাক্তারী পরিক্ষা করার প্রয়োজন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য