মোঃ ইউসুফ আলী, আটোয়ারী(পঞ্চগড়) থেকেঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নকারী সহযোগি সংস্থা ইকো সোস্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)’র কর্মতৎপরতায় পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে এলাকার মানুষ ন্যায় বিচার পাচ্ছেন।একটি নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের জুলাই ২০১৭ হতে জানুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত মোট মামলা দায়ের হয়েছে ১,১১৩ টি।   গ্রাম আদালতের মাধ্যমে মোট মামলা নিস্পত্তি হয়েছে ১,০৯৭টি। মোট সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়েছে ১,০৭৬টি। বর্তমানে চলমান মামলা রয়েছে ১৬টি। তথ্যমতে ২০১৭ সালের জুলাই মাস হতে অদ্য ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাধানগর গ্রাম আদালতে মোট ১৭৭টি মামলা দায়ের হয়েছিল, যার মধ্যে ১৭৩টি মামলাই নিস্পত্তি হয়েছে। ক্ষতিপুরন বাবদ ৭,৬৫,২৫০/- টাকা ও ৪৯.৫ শতাংশ জমি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে  উদ্ধার করে দেয়া হয়েছে।রাধানগর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবু জাহেদ বলেন,গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পটি শুরু হওয়ার পর হতে এলাকায় গ্রাম্য শালিশ বন্ধ হয়ে গেছে।যা সত্যিই এলাকার মানুষের জন্য স্বস্থির বিষয়।আমরা এখন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ইউনিয়ন পরিষদকে ন্যায় বিচার প্রদানের প্রতিষ্ঠানে পরিনত করতে।  গ্রাম আদালতের বিচারে উপকারভোগী উপজেলার রাধানগর প্রধানপাড়া গ্রামের মোঃ শহিদল ইসলাম বলেন, তার  ৯শতাংশ জমি পুন: উদ্ধারের জন্য ১২/০২/ ২০১৭ইং তারিখে বিজ্ঞ আমলী আদালত-৫ পঞ্চগড়ে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম(গং), রাধানগর প্রধানপাড়া এর বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেছিলেন।দীর্ঘ ১বছর ২মাস আমলী আদালতে চলার পর মামলাটি রাধানগর গ্রাম আদালতে প্রেরন করা হয়।   রাধানগর গ্রাম আদালত ১৭/০৭/২০১৮ ইং তারিখে মামলাটি প্রাপ্ত হয়ে কার্যক্রম শুরু করে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে মাঠে গিয়ে জমি পরিমাপ করে, স্বাক্ষী ও মামলার পক্ষগনের জবানবন্দী পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন যে, আবেদনকারীর দাবীকৃত ‘৯ শতাংশ জমি মুলত: প্রতিবাদীই মুল মালিক এবং গ্রাম আদালত সে মোতাবেক সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। মামলার আবেদনকারী ও প্রতিবাদীর সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা উভয়েই গ্রাম আদালতের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট। আরো বলেন, যদি গ্রাম আদালত এ বিষয়ের একটা সমাধান করে না দিত  তবে আমরা আর্থিক ও সামাজিকভাবে  ক্ষতিগ্রস্থ হতাম।  এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন সুলতানা বলেন, আমার উপজেলায় গ্রাম আদালত একটি অগ্রাধিকার কাজ। উপজেলা প্রশাসন সকল সময় গ্রাম আদালতকে সক্রিয় করতে বদ্ধপরিকর। উপজেলার ৬ ইউনিয়নে দায়েরকৃত মামলার ৯৯ ভাগই নিস্পত্তি হয়েছে এবং ৯৮ ভাগের উর্দ্ধে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে।গ্রাম আদালতের মাধ্যমে এলাকার মানুষ ন্যায় বিচার পাচ্ছেন।মোঃ ইউসুফ আলী, আটোয়ারী(পঞ্চগড়) থেকেঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়নকারী সহযোগি সংস্থা ইকো সোস্যাল ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ইএসডিও)’র কর্মতৎপরতায় পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে গ্রাম আদালতের মাধ্যমে এলাকার মানুষ ন্যায় বিচার পাচ্ছেন।একটি নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানাগেছে, উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের জুলাই ২০১৭ হতে জানুয়ারি ২০১৯ পর্যন্ত মোট মামলা দায়ের হয়েছে ১,১১৩ টি।

গ্রাম আদালতের মাধ্যমে মোট মামলা নিস্পত্তি হয়েছে ১,০৯৭টি। মোট সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়েছে ১,০৭৬টি। বর্তমানে চলমান মামলা রয়েছে ১৬টি। তথ্যমতে ২০১৭ সালের জুলাই মাস হতে অদ্য ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাধানগর গ্রাম আদালতে মোট ১৭৭টি মামলা দায়ের হয়েছিল, যার মধ্যে ১৭৩টি মামলাই নিস্পত্তি হয়েছে। ক্ষতিপুরন বাবদ ৭,৬৫,২৫০/- টাকা ও ৪৯.৫ শতাংশ জমি ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে উদ্ধার করে দেয়া হয়েছে।রাধানগর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আবু জাহেদ বলেন,গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্পটি শুরু হওয়ার পর হতে এলাকায় গ্রাম্য শালিশ বন্ধ হয়ে গেছে।যা সত্যিই এলাকার মানুষের জন্য স্বস্থির বিষয়।আমরা এখন সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি ইউনিয়ন পরিষদকে ন্যায় বিচার প্রদানের প্রতিষ্ঠানে পরিনত করতে।

গ্রাম আদালতের বিচারে উপকারভোগী উপজেলার রাধানগর প্রধানপাড়া গ্রামের মোঃ শহিদল ইসলাম বলেন, তার ৯শতাংশ জমি পুন: উদ্ধারের জন্য ১২/০২/ ২০১৭ইং তারিখে বিজ্ঞ আমলী আদালত-৫ পঞ্চগড়ে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম(গং), রাধানগর প্রধানপাড়া এর বিরুদ্ধে একটি দেওয়ানী মামলা দায়ের করেছিলেন।দীর্ঘ ১বছর ২মাস আমলী আদালতে চলার পর মামলাটি রাধানগর গ্রাম আদালতে প্রেরন করা হয়।

রাধানগর গ্রাম আদালত ১৭/০৭/২০১৮ ইং তারিখে মামলাটি প্রাপ্ত হয়ে কার্যক্রম শুরু করে এবং বিভিন্ন পর্যায়ে মাঠে গিয়ে জমি পরিমাপ করে, স্বাক্ষী ও মামলার পক্ষগনের জবানবন্দী পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহন করেন যে, আবেদনকারীর দাবীকৃত ‘৯ শতাংশ জমি মুলত: প্রতিবাদীই মুল মালিক এবং গ্রাম আদালত সে মোতাবেক সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। মামলার আবেদনকারী ও প্রতিবাদীর সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা উভয়েই গ্রাম আদালতের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট। আরো বলেন, যদি গ্রাম আদালত এ বিষয়ের একটা সমাধান করে না দিত তবে আমরা আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতাম।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন সুলতানা বলেন, আমার উপজেলায় গ্রাম আদালত একটি অগ্রাধিকার কাজ। উপজেলা প্রশাসন সকল সময় গ্রাম আদালতকে সক্রিয় করতে বদ্ধপরিকর। উপজেলার ৬ ইউনিয়নে দায়েরকৃত মামলার ৯৯ ভাগই নিস্পত্তি হয়েছে এবং ৯৮ ভাগের উর্দ্ধে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়েছে।গ্রাম আদালতের মাধ্যমে এলাকার মানুষ ন্যায় বিচার পাচ্ছেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য