চিরিরবন্দরে সারিবদ্ধ ধান রোপনে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদেরদিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুরের বৃহতম উপজেলা চিরিরবন্দরে বোরো আবাদ শুরু” প্রযুক্তির সম্প্রসারনে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। উপজেলা কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধনে প্রতিটি ইউনিয়নে সাপ্তাহিক ছুটির দিনসহ কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে ব্যস্ত সময় পার করছে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা।

জমি প্রস্তুত করতে মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা। জমিতে পানি সেচ, হালচাষ, সার প্রয়োগ, বীজচারা উঠানো, ও প্রস্তুতকৃত জমিতে চারা রোপণ করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে কৃষকরা। সরেজমিনে বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে বোরো ধানের প্রযুক্তি গ্রহনের অংশ হিসাবে দড়ি দিয়ে লাইন করে ধানের চারা রোপনের ধুম পড়েছে। পাশাপাশি লোগোভো পদ্ধতি অনুসারে দশ লাইন করে এক লাইন ফাঁকা রেখে ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত সময় পাড় করছে কৃষি শ্রমিকরা। আর এর সাথে পোকা দমনে পাচিং পদ্ধতির সংযোজন বোরো আবাদের জমি আরো সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এ বছর চিরিরবন্দর উপজেলায় ১৬ হাজার ৩ শত ৩০ হেক্টর জমিতে উফসি এবং ২ হাজার ১ শত ৮০ হেক্টর জমিতে হাইব্রীড জাতের বোরো চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার গড় লক্ষমাত্রা ১৮ হাজার ৫শত ১০ হেক্টর। কৃষি কর্মকর্তারা মনে করছেন এর অর্জিত লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। আকস্মিক কোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে উপজেলার কৃষকরা এবার ব্যাপক লাভবান হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

উপজেলার আউলিয়াপুকুর ইউনিয়নের উত্তর ভোলানাথপুর গ্রামের কৃষক সাঈদুর রহমান,শফিকুল ইসলাম,জামালউদ্দিন, রহমান আলীসহ আরো অনেক জানান, কৃষি অফিসের পরামর্শ মতে বোরো ধানের জন্য আদর্শ বীজতলা তৈরী ও সঠিক বয়সের চারা রোপনে সুষম সারের ব্যবহার বাড়ছে। লাইন লোগোভো ও পাচিং এর জন্য কৃষি অফিস থেকে নিয়মিত কৃষি কর্মকতার্রা এসে পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছেন।

ফতেজংপুর ইউনিয়নের কৃষক অনিসুর রহমান ও আব্দুল ওয়েদ জানান, গত বছরের আমন মৌসুমেও চারা রোপনে লাইন লোগোভো প্রযুক্তি ব্যবহার করে উপকার পেয়েছি। তাই বোরো আবাদে আবারও এ পদ্ধতিতে চারা রোপন করছি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য