শিক্ষক লাঞ্ছনাকারীর বিচার দাবীতে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন মানববনখানসামা উপজেলার নলবাড়ী উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জসিম উদ্দিনকে লাঞ্ছনাকারী বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আ: রহিমের শাস্তির দাবিতে ক্লাস বর্জন করে মাঠে অবস্থান করে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এবং একই দাবিতে বিদ্যালয়ের সম্মুখ সড়কে মানববন্ধন করে শতাধিক অভিভাবক ও সাবেক শিক্ষার্থীবৃন্দ।

গতকাল শনিবার সকাল ১০টা হতে শিক্ষার্থীরা হাতে লেখা “জসিম স্যারকে লাঞ্ছনাকারীর বিচার চাই, শিক্ষককে লাঞ্ছনার বিচার চাই, সদস্য রহিমের বিচার চাই ” এ রকম বিভিন্ন পোস্টার বুকে নিয়ে শিক্ষক লাঞ্ছনাকারীর বিচারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেয়।
আবার একই সময়ে অভিভাবকরাও বিদ্যালয়ের সম্মুখে রাস্তায় দাঁড়িয়ে শিক্ষক লাঞ্ছনাকারীর বিচার দাবি করেন।

আন্দোলনরত দশম শ্রেণীর ছাত্র ইমতিয়াজ হোসেন জানান, আমাদের জসিম স্যারের লাঞ্ছনাকারীর বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা ক্লাশে যাব না।

শিক্ষক লাঞ্ছনাকারীর বিচার দাবীতে শিক্ষার্থীদের ক্লাস বর্জন মানববনঅভিভাবক আইনুল হক, ইয়াকুব আলী, ডাঃ রব্বেল হোসেন সহ অনেকে জানান, এই স্কুলে রাতারাতি কমিটি করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অশিক্ষিত লোককে ম্যানেজিং কমিটিতে রাখলে এরকম ব্যবহার তো হবেই। আমরা সহকারী শিক্ষক জসিম স্যারের লাঞ্চনাকারীর উপযুক্ত শাস্তি দাবি করি এবং এই কমিটি বিলুপ্ত করে নতুন ভাবে কমিটির দাবি করি।

এ ঘটনায় শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ মাহবুব-উল ইসলাম স্কুলে উপস্থিত হয়ে অপরাধীর বিচারের আশ্বাস ও অনুরোধে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা কর্মসূচী প্রত্যাহার করে নেয়।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ মাহবুব-উল ইসলাম জানান, শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাসে ফেরানো হয়েছে এবং শিক্ষক লাঞ্চনার ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার মানসম্মত শিক্ষা ও বার্ষিক বনভোজনের জন্য বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভায় আলোচনার বাইরে কথা হলে একসময় বাকবিত-া শুরু হয়। বাকবিত-ের একপর্যায়ে বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আ: রহিম সহকারী শিক্ষক জসিম উদ্দিনকে বাপ তুলে কথা বলে এবং শার্টের কলার ধরে লাঞ্ছিত করেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য