মেব্রেক্সিট বিষয়ক চুক্তির আইনী বাধ্যবাধকতার পরিবর্তনে ইউরোপীয় নেতাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে ফের ব্রাসেলস যাচ্ছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী টেরিজা মে।

চুক্তি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরুর আগে ব্রিটিশ এ প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তার দেশ আয়াল্যান্ড সীমান্তের ‘ব্যাকস্টপের ফাঁদে’ আটকে থাকবে না।

বিবিসি বলছে, বিচ্ছেদের পর যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে যে চুক্তিই হোক না কেন, তাতে যেন আয়ারল্যান্ড সীমান্তে চেকিংয়ের বিষয়টি এড়ানো যায়, তা অর্জনই মে-র এবারের সফরের লক্ষ্য।

২৯ মার্চ ব্রেক্সিট কার্যকরের আগে একটি চুক্তিতে উপনীত হতে পার্লামেন্ট সদস্যদের সম্মতি দরকার এ কনজারভেটিভ প্রধানমন্ত্রীর।

ব্রিটিশ আইনপ্রণেতারা ইইউ’র সঙ্গে মে-র আগের সমঝোতাকে খারিজ করে দিয়েছেন।

সাংসদদের সমর্থন পেতে মে আগের চুক্তিতে পরিবর্তন আনতে চাইলেও ইইউ নেতারা এ ধরনের যে কোনো সম্ভাবনাকে খারিজ করে দিয়েছেন।

চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষ কোনো সমঝোতায় না পৌঁছাতে পারলে ২৯ মার্চ কোনো চুক্তি ছাড়াই যুক্তরাজ্যকে ২৮ দেশের জোটটি ছেড়ে যেতে হবে।

বুধবার ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক যুক্তরাজ্যের ব্রেক্সিটপন্থি আইনপ্রণেতাদের সঙ্গে তীব্র বাদানুবাদেও জড়িয়েছেন।

পরিকল্পনা ছাড়াই ব্রেক্সিটের পক্ষে যারা প্রচার চালিয়েছেন, তাদের ‘নরকের বিশেষ স্থানে জায়গা হবে’ বলে বুধবার মন্তব্য করেছিলেন টাস্কা। পাল্টা বক্তব্যে একে ‘চরম ঔদ্ধত্যপূর্ণ’ হিসেবে অ্যাখ্যা দিয়েছেন ২০১৬ সালের গণভোটে ব্রেক্সিটের পক্ষে থাকা ব্রিটিশ সাংসদরা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য