মধ্যপ্রাচ্যের স্বৈরশাসক, কসাই ও উগ্রপন্থিদের সমর্থন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানযুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যের ‘স্বৈরশাসক, কসাই ও উগ্রপন্থিদের’ সমর্থন দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ।

মার্কিন কংগ্রেসে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেয়া বার্ষিক স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের প্রতিক্রিয়ায় বুধবার এক টুইটে জারিফ এ মন্তব্য করেছেন বলে খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

ছয় বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের স্বাক্ষরিত জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অব অ্যাকশন (জেসিপিওএ) চুক্তি থেকে গত বছরের মে মাসে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার পর দুই দেশের নাজুক সম্পর্ক আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিতে লাগাম টানার বিনিময়ে তেহরানের ওপর থেকে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার শর্তে ২০১৫ সালে দেশটির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন ও জার্মানির ওই চুক্তি হয়েছিল।

ওই পরমাণু চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করার পাশাপাশি ট্রাম্প প্রশাসন ইসলামী প্রজাতন্ত্রটির ওপর পুরনো সব নিষেধাজ্ঞাও পুনর্বহাল করে। এ নিয়ে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা চলছে।

সম্প্রতি ইরাকে থাকা মার্কিন সেনাদের ‘ইরানের ওপর নজর’ রাখতে বলেছেন ট্রাম্প। মঙ্গলবার স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণেও তার কণ্ঠে একই সুর ছিল।

ওই ভাষণে ট্রাম্প বলেছেন,“আমেরিকার মৃত্যু কামনা করে স্লোগান ও ইহুদিদের ওপর গণহত্যা চালানোর হুমকি দেওয়া শাসনব্যবস্থার দিক থেকে চোখ সরাব না আমরা।”

তার এ ভাষণের পরপরই টুইটারে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখান ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

“শত্রুতা যুক্তরাষ্ট্রকে এমন জায়গায় নিয়ে গেছে যে তারা কেবল স্বৈরশাসক, কসাই ও উগ্রপন্থিদেরই সমর্থন দিচ্ছে, যারা আমাদের এ অঞ্চলের জন্য কেবল ধ্বংসই ডেকে এনেছে,” বলেছেন জারিফ।

অন্তত আংশিকভাবে হলেও মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে ৪০ বছরের মধ্যে ইরান সবচেয়ে কঠিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির মোকাবিলা করছে বলে অভিযোগ করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানিসহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য