আরিফ উদ্দিন, গাইবান্ধা প্রতিনিধিঃ সাদা মনের আলোকিত মানুষ একজন আলহাজ্ব একেএম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ। উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি আবোরো চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী। উপজেলার তৃণমূল সাধারণ নাগরিকসহ সর্বস্তরের ভোটারবৃন্দের নিকট একজন আলোকিত মানুষ হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশার নেপথ্যের কিছুকথা।

বিগত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে স্বতঃস্ফুর্ত সম্মানিত ভোটারদের রায়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে নিকটতম প্রার্থীকে পরাজিত করে পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগ ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগসহ নেতৃস্থানীয় দলীয় হাই-কমান্ডের দায়িত্বশীল শীর্ষ নেতৃবৃন্দের নিকট বিদ্যুৎ চৌধুরী সত্যিই একজন জনপ্রিয় মুখ। উপজেলার সচেতনসহ সর্বস্তরের এলাকাবাসীর মতামতের প্রেক্ষিতে আসছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাশী। তিনি দলীয় মনোনয়ন পেতে শতভাগ আশাবাদী।

উপজেলার ৯ ইউনিয়ণের তৃনমূল সাধারণ জনগণের তার প্রতি আস্থা ও স্বতঃস্ফুর্ত মতামতের আলোকেই তার এ দৃঢ় প্রত্যাশা। উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে বিদ্যুৎ চৌধুরী এলাকার উন্নয়ন, সমস্যা-সম্ভবনা ও সর্বোপরি সার্বজনিন কল্যাণে সদা সচেষ্ট থাকবেন। এলাকার সার্বিক চাওয়া-পাওয়ার বিষয়ে তিনি অতীতে যেমন গুরুত্ব দিয়ে আসছেন। বরাবরের ন্যায় বর্তমানসহ ভবিষ্যতেও ঠিক তেমনি গুরুত্ব দিয়ে যাবেন। বিদ্যুৎ চৌধুরী আসলেই একজন সুষ্ঠু চিন্তা-চেতনার ধারক এবং বাহকসহ জনদরদী মানুষ। এলাকাবাসীর আন্তরিক জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতায় তিনি পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। জনতার জনপ্রিয়তা কখন কমতি হয়নি। বরং সময়ের ধারাবাহিকতায় জনপ্রিয়তার ভান্ডার হয়েছে আরো শক্তিশালী ও সুবিশাল।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জনপ্রিয় নেতা বিদ্যুৎ চৌধুরী পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাশা করতেই পারেন। একটি সুসংগঠিত রাজনৈতিক দলের রাজনীতিক হিসেবে সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত এ মানুষটি নির্বাচনের ঘোড়-দৌড়ে অপর যেকোন নেতৃবৃন্দের চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা-অভিজ্ঞতা এবং সর্বোপরি ভোটার নারী-পুরুষসহ সর্বস্তরের জনতার ভালোবাসাকে সম্বল করেই তিনি জীবনে এগিয়ে চলেছেন। উপজেলার জিরো পয়েন্ট থেকে ভৌগলিক এলাকার সর্বস্তরের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের নিকট স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের অপর যেকোন রাজনৈতিক নেতার তুলনামূলক তিনি সর্বাগ্রে এগিয়ে রয়েছেন।

বিগত সময়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান থাকাকালীন যেমন ভূমিকা পালন করেছেন ঠিক পরবর্তী সময় চেয়ারম্যান না থাকাকালীন এলাকাবাসীর নিকট তাঁর চেয়ে বেশি নিজেকে নিবেদিত করেছেন। সমসাময়িক সময়ের রাজনৈতিক অঙ্গণের চলমান স্রোত তথা জনতার জননেতা রূপে নির্বাচনে জয়ী হতে হলে তৃণমূল সর্বস্তরের জনপ্রিয়তার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন একজন প্রিয় মানুষ হতে যতসব গুণাবলির প্রয়োজন অনেকটাই তাঁর মধ্যে বিরাজমান।

তিনি জন্মগত সূত্রে পলাশবাড়ী উপজেলা সদরের নুনিয়াগাড়ী গ্রামের (প্রফেসরপাড়া) বাসিন্দা। সদরের এস.এম পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান ফটকের সম্মুখেই তাঁর স্থায়ী নিবাস। শুধু জনতার কল্যাণ সাধনের লক্ষ্যেই রাত-দিন সবসময় নিজ বাসার বৈঠকখানা থাকে উন্মুক্ত। এখানে বসেই তিনি ভুক্তভোগি সাধারণ জনমানুষের দুঃখ-দুদর্শার কথা শোনেন। এছাড়াও সময়ই পেলেই তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার দারিদ্যক্লিষ্ট জনমানুষের সার্বিক সমস্যার সমাধান করতে হাজির হন তাদের উঠানে গিয়ে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তনয়া দেশরতœ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালীসহ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সরকারের ২০৪১ ভিশন বান্তবায়ন করতে এ উপজেলায় আলহাজ্ব একেএম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎ-এর কোন বিকল্প নেই। নবীন-প্রবীন ও তরুণসহ সর্বস্তরের ভোটারদের প্রথম পছন্দের ব্যক্তিই হচ্ছেন তিনি।

গত ২০১৩ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটের রেকর্ড বিহীন সন্ত্রাস-নাশকতা ও নৈরাজ্যে শুধু অন্যান্যরাই নন স্বয়ং বিদ্যুৎ চৌধুরীর বসতবাড়ী, প্রাইভেট কার ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান জ্বালাও-পোড়াও করে অপুরনীয় ক্ষতিসাধন করেন।

দেশের অন্যান্য উপজেলার ন্যায় পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনও সামনে। নির্বাচন সামনে রেখে সর্বস্তরের ভোটারদের দৃঢ় প্রত্যাশা তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ধারাবাহিকতায় পারিবারিক অপূরণীয় ক্ষতিসাধন ছাড়াও তাঁর গৌরবজ্জোল রাজনৈতিক ভূমিকার কথা স্মরণ করে আলহাজ্ব একেএম মোকছেদ চৌধুরী বিদ্যুৎকেই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা নিশ্চিতকরণে জননেত্রী শেখ হাসিনা আন্তরিক হবেন বলে এলাকাবাসী আশাবাদী।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য