তুর্কি সামরিক ঘাঁটিতে ইরাকিদের বিক্ষোভকারীদের হামলাইরাকের উত্তরাঞ্চলে তুরস্কের একটি সামরিক ঘাঁটিতে স্থানীয় কুর্দি লোকজন হামলা চালিয়েছে এবং ১৩ বছরের এক কিশোর নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছে। এ সময় তুর্কি সেনা ও কুর্দি বিক্ষোভকারীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

গতকাল (শনিবার) শেষ বেলায় স্থানীয় কুর্দি লোকজন তুর্কি সামরিক ঘাঁটির সামনে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করে কিন্তু তাদের ওপর তুরস্কের সেনারা গুলিবর্ষণ করলে সংঘর্ষ শুরু হয়। কুর্দিস্তানের ওপর বিমান হামলা বন্ধের দাবিতে শালাদজে শহরের তুর্কি সামরিক ঘাঁটির সামনে ইরাকি কুর্দিরা বিক্ষোভের আয়োজন করে। বিক্ষোভের এক পর্যায়ে তুর্কি ঘাঁটিতে থাকা বহু সামরিক গাড়ি ও অন্য সম্পদে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

কুর্দিস্তানের ওপর তুরস্ক মাঝেমধ্যেই বিমান হামলা চালিয়ে আসছে এবং সেখানে সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছে। এসবের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে কুর্দিরা গতকাল বিক্ষোভের আয়োজন করে। তুরস্ক বলছে, কুর্দি গেরিলাদের দমনের জন্য বিমান হামলা অপরিহার্য।

তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, শালাদজে শহরে মোতায়েন সেনারা ঘাঁটি রক্ষা করেছে। হামলার জন্য তুর্কি মন্ত্রণালয় পিকেকে গেরিলাদেরকে দোষারোপ করেছে। হামলায় কয়েকটি সামরিক গাড়ি ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির কথাও নিশ্চিত করেছে তুর্কি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।

ইরাকের ইরবিল আঞ্চলিক সরকার এ ঘটনাকে অন্তর্ঘাতমূলক তৎপরতা বলে উল্লেখ করেছে তবে বাগদাদের কেন্দ্রীয় সরকার এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করে নি। পিকেকে গেরিলারা এ ঘটনার জন্য সরাসরি তুর্কি সরকারকে দায়ী করেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য