আমেরিকা দ চীন সাগরে ১০০০ মাইল পাল্লার মহাকামান ব্যবহারের কথা ভাবছে!মার্কিন সেনাবাহিনী ১০০০ মাইল পাল্লার মহাকামান তৈরির কাজ করছে। দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের সঙ্গে চলমান টানাপড়েন যুদ্ধে রূপ নিলে চীনা যুদ্ধ জাহাজ ডুবিয়ে দিতে এমন মহাকামান ব্যবহার করা সম্ভব হবে বলে মার্কিন সেনাকর্মকর্তারা ধারণা করছেন।

মার্কিন সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে গোলটেবিল বৈঠকে এ তথ্য দিয়েছেন আমেরিকার সামরিকমন্ত্রী মার্ক এস্পার। তিনি বলেন, সম্প্রসারিত-পাল্লার কামান বা ইআরসিএ নিয়ে মার্কিন সেনাবাহিনী পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। পদাতিক বাহিনীকে সমর্থন যোগানোর জন্য মহাকামান দিয়ে কৌশলগত হামলা চালানো যাবে।

প্রাচীনকালের যুদ্ধে বর্শা কেন ব্যবহৃত হতো তার ব্যাখ্যা দিতে যেয়ে তিনি বলেন, অপরপক্ষের হাতে তরবারি আছে বলেই বর্শা ব্যবহার হতো। এদিকে, তরবারির পাল্লাকে সীমিত করে দিয়েছিলে বর্শা আর সে কারণেই তখন দূর থেকে নিক্ষেপযোগ্য গুলতি জাতীয় অস্ত্রের উদ্ভব ঘটেছিল বলে জানান তিনি।

নিজে আক্রান্ত না হয়ে শত্রুর ওপর হামলার কথাই যুদ্ধের সময়ে ভাবা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি। তিনি বলেন, আর এখানেই মহাকামানের মতো গোলন্দাজ বাহিনীর ভূমিকার কথা এসে যায় ।

মহাকামান কোথায় ব্যবহার হবে তার উদাহরণ তুলে ধরতে যেয়ে তিনি বলেন, গোলযোগপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের গতিরোধ করছে চীনা রণতরি; এমন পরিস্থিতিতে এ কামান ব্যবহার করা হতে পারে।

হাইপারসনিক বা শব্দের চেয়ে ১০গুণ বেশি গতির অস্ত্র তৈরির প্রযুক্তি নিয়ে মার্কিন সেনাবাহিনীর আগ্রহের কারণেই চলছে মহাকামান তৈরির তৎপরতা। গত বছর অক্টোবরে এ কামানের কথা প্রথম প্রকাশ করেছিল আমেরিকা। সামরিক বিষয়ক এক সম্মেলনে মার্কিন দূরপাল্লার কৌশলগত অস্ত্রের আধুনিকায়ন বিষয়ক পরিচালক কর্নেল জন রেফারটি সাংবাদিকদের কাছে এ অস্ত্র নিয়ে কথা বলেছিলেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য