নীলফামারীতে বিপিএল ফুটবল লীগ এর ৭টি ম্যাচবাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লীগের (বিপিএল) নীলফামারীর শেখ কামাল আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ১২ টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এ ম্যাচকে ঘিরে চলছে প্রস্তুতি। জেলা জুড়ে পড়েছে সাজ সাজ রব।

ম্যাচ অনুষ্ঠানকে ঘিরে ব্যাস্ত নানান ব্যাস্ততা এখন আয়োজকদের। জানা যায়, এ ভেনুতে আগামি ২৩ জানুয়ারী থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লীগের (বিপিএল) ১২ টি খেলা।

নীলফামারীর উদ্বোধনী খেলায় বসুন্ধারা কিংসের সাথে লড়বে ঢাকা আবাহনী লিমিটেড। পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে অন্যান্য খেলাগুলো। প্রতিটি খেলা শুরু হবে বিকাল ৩ টায়। দর্শনার্থী টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে এ মাসের ১৯ তারিখ হতে।

টিকিটের হার সাধারণ ৩০ টাকা, চেয়ার ১৫০ টাকা এবং ভিআইপি ৫০০ টাকা। শেখ কামাল স্টেডিয়ামসহ শহরে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্ধারিত স্থানে। এ স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণ ক্ষমতা ২০ হাজার।

বিপিএলের এ মাঠে অনুষ্ঠিত ১২ টি খেলার ফিকচার অনুযায়ী বসুন্ধরা কিংস ২৩ জানুয়ারীর উদ্বোধনী খেলায় মুখোমুখি হবে ঢাকা আবাহনী লিঃ এর।

এরপর ৩০ জানুয়ারী নোফেল স্পোটিং ক্লাব, ১৪ ফেব্রুয়ারী রহমতগঞ্জ এমএফএস, ২৪ ফেব্রুয়ারী আরামবাগ ক্রীড়া সংঘ, ৫ মার্চ শেখ রাসেল কেসি লিমিটেড, ১১ এপ্রিল সাইফ স্পোটিং ক্লাব এবং ১৮ এপ্রিল চিটাগাং আবাহনী লিমিটেড খেলবে বসুন্ধরা কিংসের সাথে। উল্লেখ্য যে, নীলফামারীর শেখ কামাল স্টেডিয়ামকে হোম ভেন্যু হিসাবে বেছে নিয়েছে বসুন্ধরা কিংস।

বিপিএল পর্যায়ের প্রথম ভেন্যু হলেও গত বছরের ২৯ আগস্ট বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার জাতীয় ফুটবল দলের প্রীতিম্যাচের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাাতিক ভেন্যুর অভিষেক হয়েছিল এ ষ্টেডিয়ামের। পরে সেখানে খেলেছে দেশী বিদেশী পর্যায়ের একাধিক ফুটবল দল। গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর বসুন্ধরা কিংস ও মালদ্বীপের নিউ রেডিয়্যান্ট ক্লাব-ও খেলেছে এই মাঠে। এমনকি এই মাঠে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ফিফা’র তালিকাভুক্ত খেলোয়াড়গনও একাধিক ম্যাচ খেলেছে।

এ ব্যাপারে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহসভাপতি ও পৌর মেয়র দেওয়ান কামাল আহমেদ জানান, দর্শক ঢলের মধ্য দিয়ে অতীতের সকল খেলা সার্থক হয়েছে।

এবারও সেই সফলতা ধরে রাখতে চাই আমরা। এজন্য সকলের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি। এ ব্যাপারে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক আরিফ হোসেন মুন জানান, বিপিএল এর মত খেলা নীলফামারী জেলায় অনুষ্ঠিত হওয়া আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। বিপিএল এর ম্যাচ নীলফামারী জেলায় অনুষ্ঠিত হওয়ায় নীলফামারী তথা বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের ফুটবল লাভবান হবে। নুতন খেলোয়াড়গন যেমন অনুপ্রাণিত হবে তেমনি এগিয়ে যাবে এ অঞ্চলের ফুটবল।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য