01 22 19

মঙ্গলবার, ২২শে জানুয়ারী, ২০১৯ ইং | ৯ই মাঘ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ | ১৫ই জমাদিউল-আউয়াল, ১৪৪০ হিজরী

Home - আন্তর্জাতিক - সৌদি তরুণীকে আশ্রয় দিল কানাডা

সৌদি তরুণীকে আশ্রয় দিল কানাডা

সৌদি তরুণীকে আশ্রয় দিল কানাডাসৌদি আরবের তরুণী রাহাফ আল-কুনুনকে আশ্রয় দিয়েছে কানাডা। গতকাল শুক্রবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো রাহাফকে আশ্রয় দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। গতকালই রাহাফ কানাডার উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ড ত্যাগ করেন।

App DinajpurNews Gif

এর আগে তার আশ্রয় নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানিয়েছিলেন থাইল্যান্ডের অভিবাসন সংক্রান্ত বিভাগের পুলিশ প্রধান। গত শনিবার কুয়েত থেকে থাইল্যান্ডে পালিয়ে আসেন রাহাফ। তিনি অস্ট্রেলিয়া যেতে চাইলেও থাই কর্তৃপক্ষ তাকে আটকে দেয়। খবর রয়টার্সের

স্থানীয় সময় গতকাল শুক্রবার রাত ১১ টা ৩৭ মিনিটে কোরিয়ান ফ্লাইটে সিউলের উদ্দেশ্যে ব্যাংকক ত্যাগ করেন রাহাফ (১৮)। সিউলের ইনচেন বিমানবন্দর থেকে কানাডার টরেন্টোতে যাওয়ার কথা রাহাফের। অভিবাসন সংক্রান্ত পুলিশ প্রধান সুরাচাতে হাকপার্ন জানান, রাহাফ কানাডাকে পছন্দ করেন।

তাই তাকে কানাডা পাঠানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো জানান, কানাডা সবসময়ই মানবাধিকার ও নারীদের অধিকারের পক্ষে। জাতিসংঘ যখন আমাদের কাছে রাহাফকে আশ্রয় দেওয়ার আহবান জানায় তখন আমরা সেই আহবানে সাড়া দেই।

রাহাফ তার বাবা ও ভাইয়ের সঙ্গে সাক্ষাত্ করতে রাজি হননি। ফলে হতাশ হয়েই তাদের দেশে ফিরে যেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সুরাচাতে হাকপার্ন। এর আগে কানাডার পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ক্রিস্টিয়া ফ্রিল্যান্ড বলেন, আশ্রয় দেওয়ার বিষয়ে তাদের কাছে নতুন কোনো তথ্য নেই।

রাহাফকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে কিনা সেই বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় কিছু জানাতে পারেনি। সুরাচাতে হাকপার্ন বলেছিলেন, অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডা রাহাফ আল-কুনুনকে আশ্রয় দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু গতকাল তিনি তার সেই বক্তব্য প্রত্যাহার করেছিলেন।

রাহাফ যে টুইটার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন সেই অ্যাকাউন্টও বন্ধ। ফলে তার আশ্রয়ের বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার খবর প্রকাশ হয়েছিল। এবিসি’র সাংবাদিক সোফি ম্যাকনেইল জানিয়েছেন, রাহাফ অনেকগুলো হত্যার হুমকি পেয়েছেন। জাতিসংঘ রাহাফকে বৈধ শরণার্থী বলে ঘোষণা দিয়েছে। রাহাফের দাবি, ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করায় তার জীবন হুমকির মুখে। তিনি জানান, অতি তুচ্ছ অপরাধেও তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় পরিবার। সৌদি আরবে ধর্মত্যাগের শাস্তি মৃত্যুদন্ড।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য