সারভাইকাল ক্যানসার সংক্রান্ত কিছু জরুরি তথ্যমহিলাদের সারভাইকাল ক্যানসারের মূল কারণ হচ্ছে হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি), তা ছড়ায় মূলত যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে। একাধিক সঙ্গীর সঙ্গে যৌন সম্পর্ক থাকলে, একাধিক সন্তানের জন্ম হলে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে আশঙ্কা আরও বাড়ে।

App DinajpurNews Gif

গ্রামের দিকে যাঁরা থাকেন, সেই সব মহিলার মধ্যেও সারভাইকাল ক্যানসারের সংখ্যা প্রচুর। সারভাইকাল ক্যানসার কিন্তু জটিল অবস্থায় পৌঁছতে অনেকটা সময় নেয় এবং একটু সচেতন হলে এবং সারভাইকাল স্মিয়ারের প্যাপ টেস্ট করালেই তা ধরা সম্ভব।

২১ বছরে পা দেওয়ার পর থেকে ২৯ বছর বয়স পর্যন্ত সব মহিলারই প্রতি তিন বছর অন্তর প্যাপ স্মিয়ার টেস্ট করানো উচিত। ৩০-৬৫-এর মধ্যে প্রতি পাঁচ বছরে একবার করে চেকআপ করান (সম্ভব হলে এইচপিভির পরীক্ষাও করিয়ে নেবেন একবার)।

এই এত বছরের পরীক্ষাতে কোনও সমস্যা ধরা পড়লে ৬৫-র পরেও পরীক্ষাগুলি করাতে হবে। প্যাপ টেস্ট থেকে কিন্তু কেবল সারভাইকাল ক্যানসার ধরা পড়ে, ওভারিয়ান বা ইউটেরাইন বডিতে ক্যানসার থাকলে তা ধরা পড়বে না।

পশ্চিমের দেশগুলোতে ১৪ বছরের মধ্যে সব মেয়েকেই এইচপিভি-রোধী সারভাইকাল ক্যানসার ভ্যাকসিন নিতে বলা হয়, এখন এই প্রতিষেধক ভারতেও পাওয়া যাচ্ছে। একেবারে প্রাথমিক স্তরে ধরা পড়লে সারভাইকাল ক্যানসার একশো শতাংশ সেরে যায়। গোড়ার দিকে ধরা পড়লে কনজ়ারভেটিভ সার্জারির আশ্রয় নিয়ে পরবর্তীকালে সন্তানধারণও করা যায়।

তথ্য: ডা. অরুণাভ সেনগুপ্ত

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য