কৃষ্ণসাগরে ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজযুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী গেভিন উইলিয়ামসন বলেছেন, কৃষ্ণসাগরে ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ পাঠিয়ে এর মাধ্যমে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ‘শক্তিশালী বার্তা’ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার ইউক্রেইনের ওডেসা বন্দরে এইচএমএস ইকো পরিদর্শনে এসে তিনি একথা বলেন, জানিয়েছে বিবিসি।

গত মাসে রাশিয়া কের্চ প্রণালীতে ইউক্রেইনের তিনটি যুদ্ধজাহাজ জব্দ ও এর ক্রুদের আটক করার পর ডিসেম্বরের শুরুতে লন্ডন এ যুদ্ধজাহাজটিকে কৃষ্ণসাগরের দিকে পাঠায়।

জাহাজ জব্দের ঘটনায় ফের পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে মস্কোর টানাপোড়েন দৃশ্যমান হয়। ইউক্রেইন তার সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে সামরিক আইন জারি করে।

দেশটির প্রেসিডেন্ট ‘রুশ আগ্রাসন’ রুখতে আজোভ সাগরে নেটোকে সেনা পাঠাতেও অনুরোধ করেন। এর পাল্টায় মস্কো ক্রিমিয়ায় এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয়।

২০১৪ সালে এই ক্রিমিয়া অধিগ্রহণকে কেন্দ্র করেই রাশিয়া ও ইউক্রেইনের মধ্যে বিরোধ চরমে উঠে।

উইলিয়ামসন বলেন, কৃষ্ণসাগরে ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতিই ‘রাশিয়ার আগ্রাসনের মুখে থাকা ইউক্রেইনের’ প্রতি যুক্তরাজ্যের সমর্থনের নিদর্শন। এইচএমএস ইকোর মতো আরও কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ এ অঞ্চলে মোতায়েন করা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

“যা আমরা রাশিয়াকে বলতে চাই, যা প্রেসিডেন্ট পুতিনকেও বলতে চাই, তা হলো- তারা আন্তর্জাতিক আইন ও রীতিবিরুদ্ধ কোনো কাজ করে যেতে পারবে না,” বলেন ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।

যুদ্ধজাহাজ হলেও এইচএমএস ইকো সাধারণত সমুদ্রে তথ্য সংগ্রহের কাজ করে থাকে। কৃষ্ণসাগরের যে যে এলাকায় এটি যাবে সে তালিকায় ক্রিমিয়ার কের্চ উপকূল নেই বলে বিবিসি জানিয়েছে।

রাশিয়া ব্রিটিশ এ নৌযানকে ‘গুপ্তচর জাহাজ’ অ্যাখ্যা দিয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য