নির্বাচনের উষ্ণতায় দিনাজপুরে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধিডেক্স রিপোর্টঃ দিনাজপুরে দু’দিন ধরে চলছে বৃষ্টি ও শৈত প্রবাহের সাথে ঘন কুয়াশা, যার কারনে জেলায় শীতের প্রকপ প্রচন্ড আকার ধারন করেছে। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষের কষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ বুধবার সূর্য দেখা যায়নি এদিকে সারাদিন ধরে মৃদু হিমেল হাওয়ায় দিনাজপুরের মানুষ নাকাল হয়ে পড়ছে।

ঘন কুয়াশার কারণে রাস্তাঘাটে অনেক যানবাহন চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। সাধারন মানুষ জবুথবু হয়ে পড়েছে শীতের তীব্রতায়। অতিরিক্ত শীতের কারনে আলুর ফসলে লেটব্রাইট নামক এক প্রকার ছত্রাকের আক্রমণ হওয়ার আশংকা করেছে কৃষকরা।

দিনাজপুরে বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘন্টায় ১৮ থেকে ২০ কিলোমিটার বেগে। এই মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল বুধবার। তাপপাত্রা আরও নিম্নমুখী ও শীতের তীব্রতা আরও বাড়বে বলে আশংঙ্খা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া অফিস।

দিনাজপুরে তাপ মাত্রা কমছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গরম কাপড়ের দাম। উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও সদরের ১০০ থেকে ১৫০টি মৌসুমি গরম কাপড়ের দোকান গড়ে উঠেছে।

বিশেষ করে বাজারে বাস স্ট্যান্ড ধান হাটি সহ বিভিন্ন এলাকার রাস্তার পার্শ্বে গড়ে উঠেছে এই সব দোকান। এই সব দোকানে বিক্রি হচ্ছে পুরোনো গরম কাপড়।

আর ক্রেতা অধিকাংশ হচ্ছেন নি¤ম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। কাপড়গুলো পুরাতন অন্যান্যদের ব্যবহার করা। তবে এ সব গরম কাপড় পাওয়া না গেলে গরীব মানুষ কাপড় কিনতে পারতনা।

তবে অন্য বছরের চেয়ে এবছর শীত একটু তাড়াতাড়ি এসেছে, তাই গরম কাপড়ের চাহিদাও বেশি। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইচ্ছা মত দম হাকাচ্ছে এই সব ফুটপাতের দোকানদাররা।

এই শীতে এতটুকুও ভাটা পড়েনি নির্বাচন প্রচারনায়। শীতের তিব্রতাকে উপেক্ষা করে ভোট প্রার্থনায় বিভিন্ন এলাকায় গনসংযোগ করে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য