ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি ভাঙল কয়েক মিনিটেইইয়েমেনে একটি যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই ভেঙে পড়েছে বলে অভিযোগ এসেছে।

অভিযোগটি জানিয়েছেন ইয়েমেনের সৌদি সমর্থিত নির্বাসিত সরকারপন্থি এক কর্মকর্তা, খবর বিবিসির।

স্থানীয় সময় মধ্যরাতের পর মঙ্গলবার থেকে যুদ্ধরত পক্ষগুলো বন্দর শহর হুদায়দাহে যুদ্ধবিরতি করতে রাজি হয়েছিল। কিন্তু সেখানে হুতি বিদ্রোহী ও সরকারপন্থি বাহিনীর মধ্যে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

এই বন্দর দিয়েই যুদ্ধের কারণে প্রায় দুর্ভিক্ষের প্রান্তে পৌঁছে যাওয়া ইয়েমেনে জরুরি মানবিক ত্রাণ সরবরাহ প্রবেশ করে।

হুদায়দাহের পূর্বাংশে অবস্থানরত সরকারি বাহিনীগুলোর ওপর বিদ্রোহীরা গোলাবর্ষণ করছে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের।

দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছে বলে আন্তর্জাতিক এক বার্তা সংস্থাকে জানিয়েছেন সরকারপন্থি এক কর্মকর্তা।

জাতিসংঘের উদ্যোগে সুইডেনে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনায় বৃহস্পতিবার উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছিল। এটি প্রায় চার বছর ধরে চলা ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ শেষ হওয়ার ‘শুরুর মূহুর্ত’ হতে পারে বলে অনেকেই আশা করেছিলেন।

কিন্তু পরদিন শুক্রবার বিমান হামলা ও তীব্র লড়াইয়ের খবর আসার পর যুদ্ধবিরতি পিছিয়ে যায়।

রাজধানী সানা থেকে ১৪০ কিলোমিটার পশ্চিমের হুদায়দাহ ইয়েমেনের চতুর্থ-বৃহত্তম শহর। ২০১৪ সালের শেষ দিকে বিদ্রোহীরা দখল নেওয়ার আগে দেশটির অর্থনীতির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র ছিল এ শহরটি।

বন্দর শহরটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য জুন থেকে সরকারপন্থি বাহিনীকে সমর্থন দেওয়া সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন জোট বাহিনী এখানে হামলা শুরু করে।

এই বন্দর দিয়ে আমদানি করা খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের ওপর ইয়েমেনের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ লোক সরাসরি নির্ভরশীল। দুই কোটি ২০ লাখ ইয়েমেনির কোনো না কোনো ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন, আর পরের বেলার খাবার কীভাবে সংগ্রহ করবে ৮০ লাখ ইয়েমেনির তা জানা নেই।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য