দিনাজপুর সরকারি কলেজে মহান বিজয় দিবসের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষদিনাজপুর সংবাদাতাঃ দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেন বলেছেন, মহান বিজয় দিবস বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্যবীর্য এবং বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিবস। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখন্ডের নাম জানান দেয়ার দিন।

১৬ ডিসেম্বর রোববার মহান বিজয় দিবস ২০১৮ উপলক্ষ্যে সকাল সাড়ে ১০ টায় দিনাজপুর সরকারি কলেজের অডিটোরিয়ামে কলেজের জাতীয় দিবস উদযাপন ও সাংস্কৃতিক কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দিনাজপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দ মোহাম্মদ হোসেন এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার নায়ক এ কথা উল্লেখ করে প্রধান অতিথি অধ্যক্ষ আরো বলেন, অনেক কষ্টে অর্জিত হয়েছে এই স্বাধীনতা। স্বাধীনতার এই অর্জিত সম্পদ আমাদের ধরে রাখতে হবে। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শুধু লেখাপড়া করলেই হবে না। শিক্ষার পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সামাজিক কর্মকান্ডে অংশ গ্রহন করতে হবে। বহু ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে আরও অর্থবহ করতে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।

কলেজের জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক প্রফেসর মো. ইছাহাক আলী’র সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কলেজের শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ তহিদুল ইসলাম।

এছাড়াও শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রানিবিদ্যা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর আব্দুল জলিল আহমেদ, দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এ কে এম মাসুদুল হক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জাহিদ হাসান ও রসায়ন বিভাগের প্রভাষক মণীষ কুমার রায়।

বিসিএস সাধারন শিক্ষা সমিতি সরকারি কলেজ ইউনিট এর সাধারন সম্পাদক ও প্রানিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক সঞ্জিব কুমার সাহা, ব্যবস্থাপনা প্রধান অফিস সহকারী মোঃ এনামুল হক। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন দ্বাদশ শ্রেনীর শিক্ষার্থী মো. ফরহাদ রেজা রিক্ত।

পরে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে কলেজের মাঠে বিভিন্ন খেলাধুলার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর সৈয়দ মোহম্মদ হোসেন।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জহিরুল ইসলাম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মোছা. সাহেরা আকতার গিনি ও ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মো. আব্দুল মোমেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য