দিনাজপুরে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় মহান বিজয় দিবস পালিতদিনাজপুর সংবাদাতাঃ বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভালবাসায় সারা দেশের ন্যায় দিনাজপুরে পালিত হয়েছে ৪৮তম মহান বিজয় দিবস-২০১৮। জেলাবাসি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরন করেছে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। এ উপলক্ষে সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে। কর্মসুচীর মধ্যে ছিল শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ, আলোচনা সভা, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, রক্তদান কর্মসূচী, মসজিদে মসজিদে বিশেষ মুনাজাত ও অন্যান্য উপসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা, হাসপাতাল, কারাগার ও শিশু সদনে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন ইত্যাদি।

১৬ ডিসেম্বর রবিবার দিবসের প্রথম প্রহরে দিনাজপুর সদর উপজেলার চেহেলগাজী ইউনিয়নে অবস্থিত চেহেলগাজী মাজারে ও দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত শহীদ স্মতিস্তম্ভে পুস্পাঞ্জলি অর্পণের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও দিনাজপুর সদর আসনের সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিম, জেলা প্রশাসক মো. মাহমুদুল আলম, পুলিশ সুপার সৈয়দ আবু সায়েম।

এর পর দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থিত শহীদ স্মতিস্তম্ভে পুস্পাঞ্জলি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও দিনাজপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুল ইমাম চৌধুরী, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ। এর পর শদ্ধা নিবেদন করেন দিনাজপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে পৌরসভার কাউন্সিলর ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
এর পর জেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, মহিলালীগসহ আওয়ামীলীগের অন্যান্য অঙ্গ-সহযোগি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, জেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ অন্যান্য অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, জেলা জাতীয় পাটি, দিনাজপুর প্রেসক্লাব ও দিনাজপুর সাংবাদিক ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ।

এ ছাড়া শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, দিনাজপুর সিভিল সার্জন অফিস, বিএমএ ও স্বাচিব দিনাজপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ, দিনাজপুর জেনারেল হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, জেলা আইনজীবী সমিতি, জেলা ওয়ার্কার্স পার্টি, জেলা জাসদ, কমিউনিষ্ট পার্টি, জেলা জাগপা, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি ন্যাপ, দিনাজপুর মোটর পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

এছাড়া চেহেলগাজী মাজারে অবস্থিত শহীদ স্মৃতিস্তম্বে বিভিন্ন সংগঠন পুস্পাঞ্জলি অর্পনের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শদ্ধা নিবেদন করেন। এ ছাড়াও সদর উপজেলাসহ জেলার ১২ উপজেলায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস পালন করা হয়েছে।

এদিকে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াকফ) বাংলাদেশ দিনাজপুর শাখা ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতাল ফ্রি ডায়াবেটক মেডিকেল চেকআপের আয়োজন করে। মেডিকেল ক্যাম্পে ও ডায়াবেটিক মেডিকেল চেকআপে বিনামূল্যে রোগিদের ওষুধ ও ব্যবস্থাপত্র পদান করা হয়।

ফুলবাড়ীঃ দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে গতকাল রবিবার মহান বিজয দিবস উপলক্ষে, উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ফুলবাড়ী সরকারী কলেজ মাঠে পতাকা উত্তোলন, মার্স-ফাষ্ট ও ক্রিড়া প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সকাল ৯টায় সরকারী কলেজ মাঠে জাতীয় ও বিজয় পতাকা উত্তোলন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম চৌধুরী, এসময় সহকারী পুলিশ সুপার (ফুলবাড়ী সার্কেল) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ নাসিম হাবিব উপস্থিত ছিলেন। পতাকা উত্তোলনের পর ফুলবাড়ী থানা পুলিশ, আনসার ভিডিপি সদস্য ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মার্স-ফাষ্ট প্রদর্শন করেন। মার্স-ফাষ্ট প্রদর্শনের পর একই মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীগণের অংশ গ্রহনের ডিসপ্লে প্রদর্শন ও ক্রিড়া প্রতিযোগীতা অুষ্ঠিত হয়। ক্রিড়া প্রতিযোগীতায় বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ ও তরুন-তরনীরা অংশ গ্রহন করেন।

কাহারোলঃ নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে দিনাজপুরের কাহারোলে ১৬ ডিসেম্বর’২০১৮ মহান বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। সকালে সূর্যদ্বয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপ ধ্বনির মধ্যে দিয়ে কর্মসূচির সূচনা করা হয়। সকালে উপজেলা পরিষদ কেন্দ্রীয় স্মৃতি সৌধে পুস্প স্তবক অর্পন করেন, দিনাজপুর-১ আসনের আ’লীগের সংসদ সদস্য প্রার্থী মনোরঞ্জন শীল গোপাল, উপজেলা পরিষদ, কাহারোল প্রেস ক্লাব, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠন,এনজিও প্রতিষ্ঠান, খ্রীষ্টান এসোসিয়েশন ও সামাজিক সংগঠন সমূহ। পরে উপজেলা পরিষদ মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচী শুরু করা হয়। এ সময় ছিলেন কাহারোল উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মামুনুর রশীদ চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাসিম আহমেদ ও কাহারোল থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আইয়ুব আলী। বেলা সাড়ে ১১টার সময় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংর্বধনা উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মামুনুর রশীদ চৌধুরী। মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ নাসিম আহমেদ। বক্তব্য রাখেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার আব্দুল মালেক সরকার, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মোঃ আব্দুল সালাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ সাখায়াত হোসেন সরকার প্রমুখ। দিবসটি উপলক্ষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

বীরগঞ্জঃ বীরগঞ্জে ১৬ ডিসেম্বর দুই দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসুচীর মধ্যদিয়ে মহান বিজয় দিবস পালিত হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১৫ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে রচনা প্রতিযোগিতা, উপস্থিত বক্তিতা ১৬ ডিসেম্বর সূর্যদ্বয়ের সাথে সাথে প্রশাসন, বীরগঞ্জ প্রেসক্লাব ও বিভিন্ন রাজনৈতি ও অন্য সংগঠন সমুহ শহীদ মিনারে পুস্পার্পন, পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আসুষ্ঠানিক ভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও পুলিশ আনসার, বিএনসিসি, স্কাউটস, র্গালস গাইট, বিভিন্ন স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের সমন্বয়ে কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।

দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে হাজার বছরের শেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সহ মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের স্মরনে শ্রদ্ধা নিবেদন করে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম। বিশেষ অথিতি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়ামিন হোসেন, ওসি সাকিলা পারভিন ও অন্যরা।

একই দিনে বেলা ১১টায় পাইলট সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বেলা ১২ টায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়ামিন হোসেনের নেতৃত্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় র‌্যালী শেষে-সংবর্ধনা ও সান্তনা পুরস্কার প্রদান করেন সাবেক এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম। সংবর্ধনা ও সান্তনা পুরস্কার অনুষ্ঠানে সভাপত্বি করেন ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার (চলতি দায়িত্ব) উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়ামিন হোসেন।

সাবেক এমপি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম বনাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ইয়ামিন হোসেনের নেতৃত্বে বিকেলে সরকারী কর্মকর্তা/কর্মচারী ও সুধীজনদের মাঝে প্রীতি ফুটবল খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। সর্বপরি এক মনোজ্ঞ সাস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আতসবাজির আয়োজন করা হয়। এছাড়াও সরকারী/বেসরকারী অফিস ভবন ও বাসভবনে আলোক সজ্জা করা হয়।

হাবিপ্রবিঃ দিনাজপুর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে থাযোগ্য মর্যাদা,উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহান বিজয় দিবস-২০১৮ পালিত হয়েছে।

দিবসটি পালনের লক্ষ্যে সূর্যদোয়ের সাথে সাথে পতাকা অর্ধনমিত করে রাখা হয়। এরপর সকাল সাড়ে ৯ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ বেদীতে পুষ্পমাল্য অর্পন করে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডঃ মু আবুল কাসেম, ট্রেজারার প্রফেসর ডঃ বিধান চন্দ্র হালদার, প্রগতিশীল পরিবার, জাতীয়তাবাদী শিক্ষক পরিষদ, প্রগতিশীল কর্মকর্তা পরিষদ, অফিসার্স ফোরাম, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হাবিপ্রবি শাখা,হাবিপ্রবি স্কুল সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সংগঠন।

পুষ্পমাল্য অর্পন শেষে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের মহান বিজয় দিবসের বাণী পাঠ এবং সংশি¬ষ্ট সকলের মধ্যে তা বিতরণ করা হয়।

ভাইস চ্যান্সেলর প্রদত্ত বাণীতে বলা হয়, বিজয়ের এই দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধা ও সালাম জানাই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি,স্বাধীনতার মহানায়ক, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যার অবিসংবাদিত নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ সংগঠিত ও পরিচালিত হয়েছিল। আমি পরম শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী জাতির সূর্য সন্তান ত্রিশ লক্ষ শহীদকে। তাদের বিদেহী আত্মার চির শান্তি কামনা করছি।

মহান স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর যখন আমরা আর একটি বিজয় দিবস উদযাপন করছি,তখন জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অন্য একটি বাংলাদেশ আমরা লক্ষ করছি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়ন, পদ্মা সেতু, পারমানবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মহাকাশ অভিযাত্রা থেকে সব জায়গাতেই আমাদের অগ্রগতি। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি ২০২১ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের আগেই উন্নত দেশে পরিণত হবে। উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখতে আবারও এ সরকারকে আগামী নির্বাচনে ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করার অনুরোধ করছি।

সর্বোপরি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদবুদ্ধ হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের উন্নয়নে আমাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব আরও নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে পালনের আহবান জানাচ্ছি।।

আলোচনা শেষে বাদ জোহর কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়।।

ঘোড়াঘাটঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে যথাযথ মর্যাদয়ে জাতীয় বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।দিবসটি উপলক্ষে দিন ব্যাপি প্রশাসনের আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। প্রথম প্রহরে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানম,উপজেলা চেয়ারম্যান ভারপ্রাপ্ত রুশিনা সরেন,থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃআমিরুল ইসলাম,ও সি তদন্ত মোঃফেরদৌস করিম, ঘোড়াঘাট সরকারি ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ এস এম মনিরুল ইসলাম, মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আজাহারুল ইসলাম বাবু,জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানম সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে উপজেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদ দের স্বরনে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।অপর দিকে ঘোড়াঘাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রাফে খন্দকার সাহানশার নেতৃত্বে নেতা-কর্মী, সিংড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও সিংড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ আব্দুল মান্নান মন্ডল , রানীগঞ্জ ২য় দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজ (সদ্য জাতীয় করণ ঘোষিত) অধ্যক্ষ এ আর এস ওয়াছেকুর রহমানের নেতৃত্বে শিক্ষক -কর্মচারী,শিক্ষার্থীরা রানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বীর মুক্তিযুদ্ধা শহীদ দের স্বরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন।উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বীর মুক্তিযুদ্ধা ও শহীদ মুক্তি যোদ্ধাদের পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। সরকারি ও বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযথ ভাবে বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে।দিন ব্যাপি দিবস টি উপলক্ষে প্রশাসন চত্বর,সরকারি ও বে-সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন ক্লাব খেলা ধূলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।ঘোড়াঘাট সাহিত্য পরিষদ দিবসটি উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধের উপর লেখা বই প্রকাশ করেন।ঘোড়াঘাট উপজেলার পালশা গ্রামের অবহেলিত কবি মোঃ কফিল উদ্দিন কে ঘোড়াঘাট উপজেলা সাহিত্য পরিষদের পক্ষে থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে।ঘোড়াঘাট উপজেলার সাদা মনের মানুষ প্রাক্তন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, ঘোড়াঘাট উপজেলা সাহিত্য পরিষদের সভাপতি, শিক্ষক,কবি ও লেখক রেবেকা সুলতানা বানু নিজ তহবিল থেকে বিজয় দিবস উপলক্ষে এতিম ও গরীব মানুষের মাঝে খাবর ও শীত বস্ত্র বিতরণ করেন। তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তার বড় ভাই মোঃ আজাহারুল ইসলাম বাবু মুক্তি যুদ্ধে যাওয়ার পর গোপনীয় ভাবে মুক্তিযুদ্ধাদের শুকনো খাবার দিয়ে আসতেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য