একটুতেই প্রচণ্ড রেগে যাচ্ছে স্বামী জেনে নিন কী করবেনআপাতসুখী জীবনে একটাই সমস্যা রিয়ার৷ মাঝেমধ্যেই ওর স্বামী দীপঙ্কর ভয়ঙ্কর মাথা গরম করে ফেলে৷ আর সেসময় যদি কখনও দীপঙ্করের কথার উত্তর দিয়ে ফেলে রিয়া, তা হলে পরিস্থিতি যেন হাতের বাইরে বেরিয়ে যেতে চায়! চিৎকার-চেঁচামেচি, জিনিসপত্র ছোড়া, বাদ যায় না কিচ্ছু! এখনও রাগের মাথায় রিয়ার গায়ে হাত তোলেনি দীপ, কিন্তু রিয়ার আশঙ্কা যে কোনওদিন ঘটে যেতে পারে সেটাও।

এ সমস্যা রিয়ার একার নয়। সামান্য কারণেই উত্তেজিত হয়ে মেজাজ হারানো, চিৎকার-চেঁচামেচি, জিনিসপত্র ভাঙচুরের মতো সমস্যা অনেক ঘরেই রয়েছে। আর এ সব ক্ষেত্রে তার প্রভাব পড়ে গোটা পরিবারটার উপরেই।

সাধারণত একপক্ষ শান্ত থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম হয় ঠিকই, কিন্তু কাঁহাতকই বা একতরফা শান্তি বজায় রাখা সম্ভব? ফলে অশান্তি সীমা ছাড়িয়ে যায় অনেক সময় আর এমন একটা সম্পর্কে দিনের পর দিন থেকে যাওয়া সত্যিই খুব কষ্টকর। আপনার স্বামীরও যদি একই ধরনের সমস্যা থাকে, তা হলে রাগ নিয়ন্ত্রণের পাঠ নেওয়া দরকার। রইল কিছু প্রাথমিক ধাপের হদিশ।

শান্ত থাকুন
বলা যতটা সহজ, কাজে করা ঠিক ততটাই কঠিন। তবু যখন স্বামী মেজাজ হারাবেন, চেষ্টা করুন নিজে ঠান্ডা থাকার। দু’জনেই চিৎকার শুরু করলে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। বরং ওঁর রাগ প্রশমিত হতে দিন, পরে ঠান্ডা মাথায় রাগের কারণটা নিয়ে আলোচনা করুন।উনি যদি নিজেকে কোনও কারণে বঞ্চিত মনে করেন, তা হলে ওঁকে বোঝান সবাইকেই জীবনে কখনও না কখনও অবিচারের শিকার হতে হয়, সেটা মানিয়ে নিয়ে জীবনে এগিয়ে যাওয়াই দস্তুর।

পারস্পরিক দোষারোপের খেলা চলতে দেবেন না
মাথা গরম হলে আপনার স্বামী আপনাকেই দোষারোপ করবেন, এটাই স্বাভাবিক।চুপচাপ সমস্ত দোষারোপ মেনে নেবেন না। পরিস্থিতি একটু শান্ত হলে বোঝান, ওঁর রাগের সব দায় আপনার নয় এবং সাংসারিক সমস্ত ত্রুটিবিচ্যুতির দায়ও আপনি নেবেন না।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন
সবরকম আলাপ আলোচনা, বোঝানোর চেষ্টা ব্যর্থ হলে পেশাদার কাউন্সেলিং ছাড়া উপায় নেই। আর উনি যদি থেরাপির সাহায্য নিতে সম্মত না হন, তা হলে সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে আপনাকেই ভাবনাচিন্তা শুরু করতে হবে।
– ফেমিনি।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য