শ্রীলংকায় আদালতের নির্দেশে পদ ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী রাজাপাকসেদেড়মাস ধরে নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে পদত্যাগ করলেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্টের নিয়োগকৃত প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে। আদালত তার নিয়োগ এবং প্রধানমন্ত্রীর পদ ধরে রাখাকে অবৈধ ঘোষণার পর পদত্যাগ করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে দ্বীপদেশটির প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা ও বরখাস্ত প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহের ক্ষমতার দ্বন্দ্বেরও আপাত অবসান ঘটলো। এনডিটিভি।

এর আগে শুক্রবার রাজাপাকসের নিয়োগ এবং প্রধানমন্ত্রীর পদ ধরে রাখাকে অবৈধ ঘোষণা করে আদালতের দেয়ার আদেশ স্থগিত করা হবে না বলে জানিয়ে দেয় শ্রীলংকার সুপ্রিমকোর্ট। বৃহস্পতিবার চলতি সংসদ ভেঙে দিয়ে প্রেসিডেন্ট সিরিসেনার দেয়া আদেশকেও অবৈধ ঘোষণা করে আদালত।

রবিবার বরখাস্তকৃত প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমসিংহে পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। একই দিন ৩০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভার শপথও হবে।

রাজাপাকসে গ্রুপের সংসদ সদস্য শেহেন সেমাসিংহে সাংবাদিকদের জানান, দেশের স্বার্থেই রাজাপাকসে প্রধানমন্ত্রীত্ব ছেড়ছেন। তিনি চাইলে পদ ধরে রাখতে পারেন তবে আদালতকে অবমাননা করা মোটেই ঠিক হবে না।

গত ২৬ অক্টোবর থেকে শ্রীলঙ্কায় রাজনৈতিক সংকটের শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহেকে বরখাস্ত করে রাজাপাকসেকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন প্রেসিডেন্ট মাইথ্রিপালা সিরিসেনা। এরপর থেকে দেশটিতে অস্থিরতা ও সংকট চলতে থাকে।

এরপর দেশটির পার্লামেন্টে তিন-তিনবার অনাস্থা ভোট পাস হলেও পদত্যাগ করেননি রাজাপাকসে। রাজাপাকসের প্রধানমন্ত্রীত্বকে চ্যালেঞ্জ করে শ্রীলংকার আপিল আদালতে (কোর্ট অব আপিল) বিক্রমাসিংহেপন্থী ১২২ এমপির রিটি পিটিশনের পর গত সপ্তাহে এক রায়ে আদালত নির্দেশ দেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় থাকা রাজাপাকসের পক্ষে ন্যায়সঙ্গত নয়।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য