৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস রংপুরে ৩ দিনের কর্মসূচি আয়োজন৯ ডিসেম্বর রোববার রোকেয়া দিবস। নারী জাগরণের অগ্রদূত মহিয়সী বেগম রোকেয়ার ১৩৬তম জন্ম ও ৮৬তম মৃত্যু বার্ষিকী। সারাদেশের মতো রোকেয়া দিবসটি উপলক্ষে তিন দিনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে রংপুর জেলা প্রশাসন। দিবসের প্রথম প্রহরে রোকেয়ার জন্মস্থান মিঠাপুকুরের পায়রাবন্দের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্যে দিয়ে তিন দিনের কর্মসূচীর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে।

আজ সকাল নয়টায় পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে দশটায় পায়রাবন্দ জামে মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন রয়েছে। সকাল সাড়ে দশটায় বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী, এগারো থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত স্বেচ্ছায় রক্তদান ও গ্রুপ পরীক্ষা এবং বিকেল চারটায় তিন দিনব্যাপী রোকেয়া মেলার অনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ জয়নুল বারী। বিশেষ অতিথি বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য্য। সভাপতি করবেন জেলা প্রশাসক এনামুল হাবীব। আলোচনা সভা শেষে সন্ধ্যায় রয়েছে নাটিকা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।

১০ ডিসেম্বর সোমবার দ্বিতীয় দিনের আয়োজনে রয়েছে শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি, রচনা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা, প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা, নাটিকা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন। এতে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ। বিশেষ অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ পুলিশের রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান পিপিএম, স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক রুহুল আমিন মিঞা। আলোচনা সভায় সভাপতি করবেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সৈয়দ এনামুল কবীর।

১১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সমাপনী দিনে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সংসদীয় বিতর্ক, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ, আলোচনা সভা, গুণীজন পদক প্রদান, নাটিকা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি থাকবেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ, বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) আবু তাহের মোঃ মাসুদ রানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শরীফ মুহম্মদ ফয়েজুল আলম। এতে সভাপতিত্ব করবেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইটিসি-অ.দা.) রুহুল আমিন মিঞা।

এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে রংপুর মহানগরীসহ জেলা আট উপজেলাতে বিভিন্ন নারী সংগঠনের পক্ষ থেকে অলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি, নির্ধারিত বক্তৃতা, কুইজ প্রতিযোগিতাসহ সচেতনতামূলক নাটিকা প্রদর্শনী, সম্মাননা স্মারক প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য