দিনাজপুর সংবাদাতাঃ ৬ ডিসেম্বর বিরামপুর মুক্ত দিবস। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ৭নং সেক্টরের তরঙ্গপুর কালিয়াগঞ্জ রণাঙ্গনে ২৮০ জন মুক্তিযোদ্ধা প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে।

এই সেক্টরের দায়িত্ব পালন করেন মুক্তিযোদ্ধা উন্নতম বীর সেনানী যথাক্রমে মেজর নজমুল হুদা ও মেজর নুরুজ্জামান।

তৎকালীন বিরামপুরে দেশ স্বাধীন করার লক্ষ্যে আবদুল করিম, আনোয়ারুল হক, আজিজার রহমান, মজিবর রহমান ও বিরামপুর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার লুৎফর রহমান শাহ্ নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

মুক্তিযোদ্ধারা বিরামপুরকে পাক হানাদার বাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য ঘোড়াঘাট রেলগুমটি, কেটরা শাল বাগান, ভেলারপাড় ব্রিজ, ডাক বাংলা, পূর্বজগন্নাথপুর মামুনাবাদ বাঙ্কার বসিয়ে সর্তকত অবস্থায় থাকতেন।

পাকসেনারা ৪ ডিসেম্বর পাইলট স্কুলের সন্মুখে ও ঘাটপাড় ব্রিজে প্রচন্ড শেলিং করে ভাইগড় গ্রাম দিয়ে তীরমনিতে ৪টি শেল নিক্ষেপ করে।

লোম হর্ষক ও সন্মুখ যুদ্ধে কেটরা হাটে ১৬ মুক্তিযোদ্ধাসহ ৭ পাক হানাদার বাহিনী নিহত ও শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা আহত ও পঙ্গুত্ব বরণ করে। এতে উপজেলার ২০ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন, পঙ্গু হন ২জন, মারাত্মক ভাবে আহত হন ১৩ জন।

আগামীকাল বুধবার মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও বিরামপুর প্রেসক্লাব উদ্দ্যেগে মুক্ত দিবস উপলক্ষে র‌্যালি আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

এতে উপস্থিত থাকবেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তৈহিদুর রহমান,পৌর মেয়র লিয়াকত আলী টুটুল, বিরামপুর সার্কেল এএসপি মিঠুন সরকার, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার লুৎফর রহমান শাহ সহ মুক্তিযোদ্ধা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজ উপস্থিত থাকবেন।

মন্তব্য লিখুন (ফেসবুকে লগ-ইন থাকতে হবে)

মন্তব্য